
যায়যায়কাল প্রতিবেদক: পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ছুটি কাটাতে কক্সবাজার গিয়েছেন মো. আশিকুল ইসলাম। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ইসরাত জাহান মালিহা ও স্ত্রীর ছোটবোন লায়লা জাহান নাবিলাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।
শনিবার সকালে তাদের থাকার রিসোর্টে লাগা আগুনে সেই ছুটি পরিণত হয়েছে বিষাদে।
সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর পাটোয়ারটেক সৈকতে কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে আগুন লাগার ঘটনায় নিহত হন আশিকুল ইসলামের স্ত্রীসহ একই পরিবারের ছয়জন।
আশিকুল ইসলামের ছোটভাই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ জন।
আশিকুল ইসলামের ভাই বলেন, ‘আমার ভাই (আশিক ইসলাম) ছিল। ভাই হচ্ছে বেঁচে আছে। সে হচ্ছে দুই তলা থেকে লাফ দিয়েছে। আমার ভাবিসহ বাকি ভাবীর ফ্যামিলির, আমার ভাবীর বোন...এরকম ছয়জন মারা গেছে।’ তিনি এখন কক্সবাজারের উদ্দেশে যাবেন বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
বেলা সোয়া দুইটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের কক্সবাজারের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মোরশেদ হোসেন ১০ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আরও মরদেহ থাকতে পারে। উদ্ধার অভিযান চলছে।
নিহত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন, ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দগ্ধ ছয়জন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা হলেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা