

নুরুল ইসলাম, গাইবান্ধা : গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নে চাঁন মিয়া ও ফুল মিয়া নামে দুই ভুয়া কাজীর বিরুদ্ধে একের পর এক বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের মুল কাজী মাওলানা আব্দুল মোত্তালিব অবসরজনিত কারণে পার্শ্ববর্তী মালিবাড়ী ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত তালাক ও নিকাহ রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমানকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজী হাফিজুর নিজ ইউনিয়ন মালিবাড়ী ও একটি ফাজিল মাদ্রাসার দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকায় চাঁনমিয়া নামে অপর এক ব্যক্তিকে লক্ষীপুর ইউনিয়নের তালাক ও বিবাহ রেজিস্ট্রি করার জন্য এজেন্ট হিসেবে মৌখিক দায়িত্ব দেন।
চাঁন মিয়া ঘাগোয়া ইউনিয়নের এক মাদ্রাসায় চাকরি করার ফলে লক্ষীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ভাই ফুল মিয়ার দ্বারা বিয়ের যাবতীয় কাজ করিয়ে আসছেন। গত ২৪ জুন রাতে ফুলমিয়া ভুয়া কাজী সেজে এলাকার বাইরে কুপতলা ইউনিয়নর রামপ্রসাদ গ্রামে এসে মো. জাকিরের ৮ম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যা মোছা. আশামনির সাথে একই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বরমতাত (বড়বাড়ী) গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র মো. আল আমিনের বাল্যবিবাহ পড়ান।
এ ব্যাপার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কাজী মো. হাফিজুর রহমানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমি চাঁন মিয়াকে ৩ থেকে ৪টা বই দিয়েছিলাম কাজ শেষে সেগুলো ফিরত দিয়েছে। এরপর আর বই নেয়নি। অনেকদিন থেকে লক্ষীপুর ইউনিয়নের তালাক ও বিবাহ রেজিস্ট্রি কীভাবে হচ্ছে এবং কতগুলো বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে তা আমি জানি না। তবে শুনেছি ওরা নাকি ভুয়া বই দিয়ে এ সমস্ত অনৈতিক বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করে আসছেন।
সচেতন এলাকাবাসীর প্রশ্ন, কাজী নয় তবু কেন ফুলমিয়া ও চাঁন মিয়া ভুয়া কাজী সেজে একের পর এক বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করে চলেছেন এটা তাদের বোধগম্য নহে। বিগত ৬ মাসে লক্ষীপুর ইউনিয়নে কতগুলো বিবাহ হয়েছে তা জানা দরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসকের প্রতি আহ্বান এই ২ জন ভুয়া কাজীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা