
নুরুল ইসলাম, গাইবান্ধা: গাইবান্ধার সার্বিক উন্নয়নে কিংবদন্তি এক নিবেদিত সরকারি কর্মকর্তা গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমেদ। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে গাইবান্ধা জেলা ছিল দেশের সবচেয়ে অবহেলিত বন্যা কবলিত এলাকা।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের পর গাইবান্ধা জেলায় যোগদান করেন জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমেদ। তিনি জেলায় যোগদানের পর নিজের প্রশাসনিক কাজের শত ব্যস্ততার পরও মনোনিবেশ করেন জেলার আপামর জনগণের জন্য নানন উন্নয়ন পরিকল্পনা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে গাইবান্ধা শিশু পার্কের ঐতিহাসিক মানববন্ধন মুক্ত মঞ্চ, গাইবান্ধা জেলার স্টেডিয়ামে সব থেকে বড় ফুটবল টুর্নামেন্ট উপহার, কামারজানী ইউনিয়নের কুন্দেরপাড়া চরের গ্রামের কেবলাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ও চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র, গাইবান্ধায় সম্পূর্ণ ফ্রিতে ৮০০ জন বেকার যুবক-যুবতীকে ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং এর ব্যবস্থা। এছাড়া নাম না জানা আরো অনেক উন্নয়ন।
এলাকাবাসী জানান, গাইবান্ধাতে তার মত একজন জেলা প্রশাসক পেয়ে আমরা ধন্য। আমরা এই রত্নকে হারাতে চাই না। আমরা গাইবান্ধাবাসী চাই তিনি আমাদের মাঝে আরো বেশিটা সময় ধরে থাকুক। এছাড়াও জেলার বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, অন্যান্য ভাতা নিজে মনিটরিং করেন সার্বক্ষণিক। জেলার প্রতিটি সরকারি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত করতে গঠন করেছেন বিশেষ মনিটরিং সেল। এ মানুষটি গাইবান্ধা জেলায় জন্মগ্রহণ করেনি। অথচ গাইবান্ধা জেলার মানুষের জন্য কি নিবেদিত প্রাণ। তার অফিস সাধারণ জনগণ, এমনকি সকলের জন্য সবসময় উম্মুক্ত।
সচেতন মহল বলেছেন, জেলা প্রশাসনে সেবা গ্রহীতাদের জন্য এ যেন এক দাতব্য চিকিৎসালয়। এই ব্যক্তি জেলায় জেলা প্রশাসক নিয়োজিত হবার পর, কোন সাংবাদিক ও সুধী মহলের কাছে নেই কোন অভিযোগ। গাইবান্ধা জেলার মানুষ জেলা প্রশাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এমনি যদি দেশের প্রতিটি জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক থাকত, তাহলে এই হতভাগা দেশের উন্নয়ন কেউ ঠেকাতে পারত না।
সর্বশেষ তথ্য হচ্ছে, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমেদ সম্প্রতি প্রমোশন পেয়ে যুগ্ম সচিব হয়েছেন। তিনি যেকোন সময় গাইবান্ধা জেলা ছেড়ে চলে যাবেন। এ জেলার মানুষ তাকে দোয়া ছাড়া কিছুই দিতে পারবে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা