
নুরুল ইসলাম, গাইবান্ধা: গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিসের তদারকির অভাবে শহরস্থ ভি এইড রোডের সার ডিলার মানিক কুমার সাহা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কালোবাজারে সার বিক্রি করে আসছেন।বিষয়টি আইনি ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, গাইবান্ধা সদর উপজেলার শহরস্থ ভি এইড রোডের মেসার্স দীন ভান্ডারের স্বত্ত্বাধিকারী সার ডিলার মানিক কুমার সাহা নীতিমালা অমান্য করে দীর্ঘদিন যাবৎ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কালোবাজারে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করে আসছেন। ফলে হয়রারি ও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে কৃষকদেরকে।
গত ৪ জানুয়ারি এক তথ্যের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ত্রিমোহিনী পিয়ারাপুরের খুচরা ব্যবসায়ী আমিন ও ঘাগোয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের নুরুন্নবী মিয়া ৩০/১২/২৫ ইং তারিখের ৮১২ ও ৮১৩ নং মেমোতে এমপি , ডিএপি ১৭ বস্তা সার এবং ৩/১/২৬ ইং ও ৪/১/২৬ ইং ৮১৫ এবং ৮১৬ নং মেমোতে উক্ত ২ ব্যবসায়ী টিএসপি/ডিএপি/ পটাস ৪২ বস্তা সার ভ্যানে করে পাচার করছেন।
এ সময় ভ্যানচালক জানান, তিনি পর্যায়ক্রমে এ ডিলারের সার বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ডিলার মানিক কুমার সাহাকে মোবাইল ফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জবাব না দিয়ে ফোন কেটে দেন।
অন্যদিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা(বিএস)মোঃ মেহেদী হাসানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমি ডিলার মানিক কুমার সাহাকে বার বার সর্তক করেছি। এরপরও তিনি তার নির্ধারিত স্থানে না গিয়ে এ অপকর্ম করে আসছেন।বিষয়টি আমি কর্তৃপক্ষে জানাবো।
অন্যদিকে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ রাকিবুল আলমকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে এড়িয়ে যান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, সার ডিলার মানিক কুমার সাহা যদি বোয়ালী ইউনিয়নের ডিলার হন তাহলে তিনি নির্ধারিত পয়েন্টে সার না দিয়ে গাইবান্ধা শহরস্থ ভিএইড রোডে বসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কেন সার বিক্রি করে আসছেন। ইতিপুর্বেও উক্ত ডিলার কর্তৃক সার সিন্ডিকেটের ব্যাপারে তার হাত রয়েছে বলে তারা জানান।
উপরোক্ত বিষয়টি আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী মহল।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা