

আবিদ হাসান, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) : মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় এক গৃহবধূর থাকার ঘরে সিঁধ কেটে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামে গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে অভিযুক্ত দৌড়ে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।
রামকৃষ্ণপুর নয়াকান্দি গ্রামের সমাজের মাতবর শের আলী প্রামাণিক জানান, প্রতিবেশী ছবেদ আলীর বাড়িতে ছবেদ আলীর বাড়িতে তার ছেলে আরিফ এবং প্রধান অভিযুক্ত প্রতিবেশী মৃত শেখ নুরু মৃধার সেজ ছেলে সজিবসহ তার ভাই রাসেল,রাজিব, রিফাত ছবেদের বাড়িতে রাতে খিচুরির আয়োজন করে। আরেক প্রতিবেশী অরুণ চন্দ্র হালদারের বাড়িতে একই রাতে মুরগি চুরি হয়। রাতেই সেই মুরগি চুরির অভিযোগ পাই। পরবর্তীতে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে গৃহবধূর চিৎকারে এলাকার লোকজন জড়ো হয়।
তিনি আরও বলেন, গৃহবধূর ভাষ্য অনুযায়ী এলাকার লোকজন নিয়ে রাত্র আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে সজিবের বাড়িতে গিয়ে সজিবকে দেখতে না পেয়ে সন্দেহ হয়। পরে সজিবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, গৃহবধূর বয়ান অনুযায়ী মুখে খামচির দাগ ও রাতে গোসল করার প্রমাণে এলাকাবাসী সজিবকে আটক করে গাছের সাথে বেঁধে রাখে। সকালে পুলিশে সোপর্দ করে দেই।
গৃহবধূর শাশুড়ি জানান, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আমার পুত্রবধূর চিৎকার শুনতে পাই। আমিসহ প্রতিবেশিরা এগিয়ে এলে আমার পরিচিত প্রতিবেশী সজিব দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে গ্রামের মুরব্বি ও সমাজের মাতবারেরা সজিবের বাড়িতে গেলে সজিবকে না পেয়ে সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে ভোর রাতে সজিবের কথা, আচার-আচরণ ও মুখে খামচির দাগ দেখে সজিবকে আটক করে পুলিশে দেয়।
রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ কামাল হোসেন জানান, সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সব কিছু জেনে থানায় খবর দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করি।
হরিরামপুর থানা অফিসার ইনচার্জ শাহ-নুর-এ-আলম জানান, খবর পেয়ে সকালে পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্ত সজিব কে থানায় আটব করা হয়। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা