
মো. হাসান ভূঁইয়া, মাধবপুর (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ইলিয়াসের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নামে ঘুষ দাবি, ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
এরই মধ্যে একটি মামলার তদন্তে গিয়ে প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়াকে যৌক্তিক দাবি করে দেওয়া তার বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি চুনারুঘাট উপজেলার ৯ নম্বর রানীগাঁও ইউনিয়নের রানীগাঁও বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার করা একটি মামলার তদন্তে সেখানে যান এএসআই ইলিয়াস। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সামনে ঘুষ প্রসঙ্গে তাকে কথা বলতে শোনা যায়। পরে উপস্থিত এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে তার বক্তব্যের ভিডিও ধারণ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এএসআই ইলিয়াসকে বলতে শোনা যায়, ‘কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে! আমি যদি বলি পুলিশে চাকরি করি কিন্তু ঘুষ খাই না, তবে কি আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব হব? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই।’
অভিযোগ ও ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্যের বিষয়ে এএসআই ইলিয়াসের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি বিষয়টি মাত্রই জেনেছি। খোঁজ নিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকেও অবগত করব।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, মামলা তদন্তের নামে ঘুষ দাবি এবং ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ এএসআই ইলিয়াসের বিরুদ্ধে আগেও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।
পুলিশের একজন সদস্যের এমন বক্তব্যের ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগ ও ভিডিওতে দেওয়া বক্তব্যের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা