

মার্চ ১৯, ২০২৩
সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর নুরুল আজিম শিকদার এর অপসারণ সহ জামাতপন্থী শিক্ষক নিয়োগ এবং নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ ও প্রগতিশীল সাবেক ছাত্র-ছাত্রীরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নানা অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় বেশ কিছুদিন ধরে অভিযোগ সম্বলিত সংবাদ প্রকাশিত হয়ে আসছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক আদর্শচ্যূতি ও নিয়ম বহির্ভূত কিছু সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৫-৯৬ সেশনের ৩১ ব্যাচের শিবির কর্মী মেরিন সায়েন্স ও ফিশারীজ বিভাগের শিক্ষক নুরুল আজিম শিকদারকে প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান,একই বিভাগে পরিকল্পিতভাবে বিএনপি-জামাত সমর্থিতদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগসহ নানা রকমের আর্থিক দুর্নীতি, অনিয়ম ও আদর্শিক বিচ্যুতির সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই পরিস্থিতিতে অবিলম্বে বর্তমান প্রক্টরের অপসারণ, বিতর্কিত শিক্ষক নিয়োগসমূহ বাতিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা বিএনপি-জামাত সমর্থিত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদেরকে দ্রুত অব্যাহতির দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ প্রগতিশীল ছাত্রসমাজকে সাথে নিয়ে বেশকিছু কর্মসূচী ঘোষণা করেছে। এরই অংশ হিসেবে গত ১৭ই মার্চ হতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এদিন ঢাকার শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেয়া নানা কর্মকান্ডের তীব্র সমালোচনা করেন ও নিন্দা জ্ঞাপন করেন। গণস্বাক্ষর সংগ্রহের পাশাপাশি সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা প্রক্টর নুরুল আজিম শিকদার ছাত্র থাকাকালীন তার দ্বারা নিগৃহীত, হয়রানি ও প্রহৃত হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেন।
বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এহেন বিতর্কিত কর্মকান্ড মুজিবাদর্শের সাবেক-বর্তমান নেতা-কর্মীদের আবেগ ও বিবেককে অসম্মান ও আঘাত করা হয়েছে দাবি করে বর্তমান প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা ও নিন্দা করা হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষনিকভাবে অন্যান্য সাবেক নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ ধরণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবিলম্বে প্রক্টরকে অপসারণ, বিএনপি জামায়েতের অনুসারী হিসেবে যাদেরকে নিয়োগ ও সুবিধা দিয়ে মুজিব আর্দশের অনুভূতির প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করা হয়েছে অতিদ্রুত তা বাতিলের অনুরোধ জানানো হয়। অনতিবিলম্বে এ সকল সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা না হলে সাবেক নেতৃবৃন্দ কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাবেন বলে প্রত্যয় ও হুশিয়ারী ব্যক্ত করেন।
বিবৃতিদাতা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দরা হলেন, (জৈষ্ঠ্যতার ভিত্তিতে নয়) সেলিম রেজা সৌরভ, মোহাম্মদ কলিম, জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, শামসুদ্দিন মাহমুদ রুমি, জিল্লুর রহমান জুয়েল, নাসির হায়দার বাবুল, মির্জা টিপু, মো: মাহবুব এলাহী, নাজিম উদ্দিন মাহমুদ শিমুল, রেজাউল হাসান নগেন, এছারুল হক কনেজ, মোয়াজ্জেম হোসেন কাওসার, ফারুক হোসেন হৃদয়, নিয়াজ মাহমুদ অসীম, আলাউল করিম মুকুল, কৃষ্ণ গোপাল পাল, আমিমুল আহসান সুমন, শাহজাহান খান সম্রাট, সুব্রত সেন রাহুল, জয়ন্ত তালুকদার, এরশাদ হোসেন, কাজী মাজাহারুল ইসলাম, ফয়সাল আজিজ ভূইয়া, মাজেদুর রহমান রাজু, আবদুল্লাহ মামুন মিল্টন, নাসির উদ্দিন, চৌধুরী বদরুদ্দৌজা সাহেদ, মোকাম্মেল হোসেন রিফাত, আনিসুজ্জামান ইমন, রিফাত মোকাম্মেল, আবু সুফিয়ান, একরাম হোসেন রাসেল, হাবিবুর রহমান অপু, আবুল মনসুর জামশেদ, কামরুল হুদা হিমু, জয়নাল আবেদীন, রিপন চৌধুরী, সুজন রক্ষিত, রেজা নূর, তানবীর ইলাহী, মহিউদ্দিন রুদ্র, জাহিদ হাসান, শাহজামান সবুজ, আক্তার হোসেন, ইকবাল হোসেন, আবু আইয়ুব আনসারী, মো: আলমগীর টিপু, ফজলে রাব্বী সুজন সহ আরো অনেকে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা