

আলমগীর হোসেন হিরু, চাটখিল(নোয়াখালী): নোয়াখালী চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলায় গত দুইদিন ধরে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে করে নতুন এলাকা ও বাড়ি ঘর প্লাবিত হয়েছে।
আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে দিনের পর দিন মানুষের ভিড় বাড়ছে। প্রয়োজনীয় খাবারের অভাবে দুর্বিষহ জীবন কাটাতে হচ্ছে আশ্রয় কেন্দ্রে বসবাস করীরা। সরকারী সাহায্য খুবই কম।
সরজমিনে গিয়ে ও বিভিন্নভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত দুইদিনে চাটখিল ও সোনাইমুড়ীতে দেড় থেকে দুই ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ডাকাতিয়া নদীর পানি এই দুই উপজেলা প্রবলভাবে দেয়ে আসায় নতুন বাড়ি ঘর পানির নিচে তলি যাচ্ছে। ফলে আশ্রয় কেন্দ্রে দিনের পর দিন মানুষের ভিড় বাড়ছে। প্রয়োজনী খাবার সংকটের কারণে অনেকে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
ও বন্যা দুর্গতদের জন্য সরকারি সহয়তার পরিমাণ খুবই কম। বিভিন্ন সেচ্ছাসেবীসহ রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনগুলো আশ্রয় কেন্দ্রগলোতে খাবার পরিবেশন ও বাড়ি-ঘরে অবরুদ্ধদের উদ্ধারসহ বিভিন্নভাবে সাহায্য চালিয়ে যাচ্ছে। প্রায় সকল রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে খাদ্য দ্রব্য পৌঁছানোর একমাত্র ভরসা নৌকা। কিন্তু পর্যাপ্ত নৌকা না থাকায় কার্যক্রমে বেঘাত ঘটছে।
চাটখিল উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ এহসান উদ্দিন জানান, বন্যার্তদের জন্য শুধু মাত্র ২০ টন চাল পেয়েছেন তিনি এখানে নৌকা না থাকায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে বলে স্বীকার করেন।
সোনাইমুড়ী প্রকল্প কর্মকর্তা শমসের রহমান জানান, সোনাইমুড়ী বন্যার্তদের জন্য ৮০ টন চাল এবং নগদ তিন লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা