

এস রহমান সজীব, জয়পুরহাট : প্রসব বেদনা নিয়ে স্বামির বাড়ি থেকে মাকে সাথে করে বাবার বাড়িতে যাচ্ছিলেন বাবলি রানী। দিনাজপুরের বিরামপুরে যাওয়ার উদ্দেশে জয়পুরহাটে রেল স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন তারা । হঠাৎ প্রসবব্যথা বেড়ে যায় তার। কোনো উপায় না পেয়ে সহযোগিতা চান। পরে পুলিশ ও এক নারীর সহযোগিতায় স্টেশনেই ফুটফুটে এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৬ টায় এ ঘটনা ঘটে। কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়া বাবলি রানী জয়পুরহাট সদর উপজেলার বেলতলী বাবু পাড়া গ্রামের সুকুমার চন্দ্রের স্ত্রী। তাঁর বাবার বাড়ি দিনাজপুরের বিরামপুরে আমবাড়িতে। মা-মেয়ে দুজনেই সুস্থ আছে।
নাসিমা আক্তার নামে এক নারী বলেন, আমি বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চাকরি করি জয়পুরহাটে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলাম। আজ নিজ বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্য রেলস্টেশনের
প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের অপেক্ষা করছিলাম। হঠাৎ পাশে বসা এক নারী প্রসব বেদনা নিয়ে ছটফট করছিলেন। তাকে সহযোগিতা করি। সে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। অনেক ভালো লেগেছে। ভালো কাজটি করতে পেরে।
বাবলি রানী বলেন, আমি প্রথমবার মা হলাম। আসলে বুঝতেই পারিনি আমার সন্তান প্রসবের সময় হয়েছে। হয়তো বা আমার গণনায় ভুল ছিল। বাবার বাড়িতে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম। আমার মা ও দুলাভাই নিতে এসেছিলেন। তাদের সঙ্গে নিয়ে বাবার বাড়িতে যাচ্ছিলাম। ধন্যবাদ জানাই প্রসবের সময় পুলিশ, স্টেশন মাস্টার ও এক নারীর সহযোগিতার জন্য।
জয়পুরহাট রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রেজাউল ইসলাম জানান, অফিস শেষ করে বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্য বের হচ্ছিলেন। হঠাৎ খবর পান যে এক নারী প্রসব বেদনায় স্টেশনে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাৎক্ষণিক পুলিশের সহযোগিতায় এক নারীকে সহযোগিতার জন্য পাঠানো হয়। তাঁরা সন্তান প্রসবের জন্য প্রসূতিকে সব ধরনের সহযোগিতা করেন। এতে নিরাপদে সন্তান প্রসব হয়। এই আনন্দ মুহুর্ত আরো আনন্দ করতে স্টেশনে প্ল্যাটফর্মের যাত্রীদের মিষ্টি খাওয়ানো হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা