
যায়যায়কাল প্রতিবেদক: পদ্মা রেলসেতুর পিলারের গোড়া থেকে অতিরিক্ত মাটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচ থেকে মাটি কেটে নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।
এ ব্যাপারে সেতুমন্ত্রী গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘মাটি খুঁড়ে নেওয়া হয়েছে, বিষয়টা এ রকম না। ওখানে যখন ব্রিজ হয়েছে, কিছু প্রতিবন্ধকতা কিন্তু রাখা হয়, ছোট ছোট ব্যারিয়ার তৈরি করা হয়। সেখান থেকে প্রয়োজনে মাটি সরানো হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘এটা কনস্ট্রাকশনের অংশ হিসেবে থাকে, কিন্তু দীর্ঘদিন সরানো হয়নি। ওটা দিয়ে একটু উঁচু হওয়ায় ওখান থেকে আবার মই দিয়ে কিছু কিছু জিনিস চুরি হয়েছে বা হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে সার্বিক বিবেচনা ওটা সরানো হয়েছিল। অতিরিক্ত মাটি ছিল, অবস্ট্রাকল তৈরি করার জন্য, কনস্ট্রাকশন কাজের সহায়ক হিসেবে।’
‘এখন আবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ওখানে গাছ লাগানো হবে,’ জানান তিনি।
রাজধানী ঢাকার বাসস্ট্যান্ড সবগুলো সরিয়ে নেওয়া হবে, তবে রাতারাতি হবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘একটা বাসস্ট্যান্ডে ১২-২৪ ঘণ্টা বাস থাকছে। আমরা মনে করছি ডিপোতে বাস থাকবে, ছাড়ার কিছু আগে এসে যাত্রী নেবে। বাসস্ট্যান্ডের যে ব্যবহার, সেটা হবে। কিন্তু দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাসস্ট্যান্ডে থেকে যে যানজট তৈরি হচ্ছে, যে অব্যবস্থাপনা তৈরি হচ্ছে, ওটার পরিবর্তন চাচ্ছি।’
মহাখালী বাসস্ট্যান্ড আপাতত থাকছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা স্থায়ীভাবে সরানো হবে উত্তরায়। ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহাখালী বাসস্ট্যান্ডের যে জট তৈরি হচ্ছে, সার্ভিসটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। বিধায়, যেসব বাস ছাড়বে সেটা মহাখালী বাসস্ট্যান্ড ব্যবহার করবে, অতিরিক্ত যে সমস্ত বাস যেগুলো হয়তো ১২ ঘণ্টা পর ট্রিপে যাবে, সে ১২ ঘণ্টা মহাখালী বাসস্ট্যান্ড অপেক্ষা করতে পারবে না। ৩০০ ফিটে একটা জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে, সাময়িকভাবে ওটা ডিপো হিসেবে ব্যবহার করবে।’
সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডকে কাঁচপুরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত সুবিধা নিশ্চিত হওয়ার পরেই সরিয়ে নেওয়া হবে। ‘এখন ডিপো হিসেবে ব্যবহৃত হবে। শুধুমাত্র স্ট্যান্ড থেকে যে বাসগুলো ছাড়বে, তার আগে একটা নির্দিষ্ট সময় স্ট্যান্ডে থাকবে। বাকি সময় ডিপোতে গিয়ে থাকবে,’ যোগ করেন তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা