
খাঁন মোঃ আঃ মজিদ, দিনাজপুর: দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে ভূগর্ভস্থ খনিকাজ ও কম্পনের কারণে আশপাশের গ্রামগুলোর বহু বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এতে অন্তত দশ গ্রামের মানুষ চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, খনিতে ডিনামাইট বিস্ফোরণ ও নিয়মিত কম্পনের কারণে বিশেষ করে পাতরাপাড়া এলাকাসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর ঘরবাড়ির দেয়ালে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। অনেক স্থানে রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে এবং অনেক নলকূপ শুকিয়ে গেছে।
বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, ভূগর্ভস্থ কয়লা উত্তোলনের ফলে ভূ-পৃষ্ঠের অবনমন (subsidence) ও ধসের ঝুঁকি তৈরি হয়।
স্থানীয় মানুষ বলছেন, এসব কারণে তাদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে এবং স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। বারবার অভিযোগ, তবু সমাধান নেই।
এলাকাবাসীর দাবি, বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো টেকসই কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে সময়ের সাথে সাথে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বাড়ছে। ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবি
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ঘরবাড়ি মেরামত, রাস্তাঘাট সংস্কার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান এবং মসজিদ ও কবরস্থানের জন্য জায়গা বরাদ্দসহ বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।
তারা দাবি করছেন — ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার না করে খনির কার্যক্রম চলতে দেওয়া যাবে না।
খনি কর্তৃপক্ষের পূর্বের বক্তব্য আগে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা সরবরাহ ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে খনি-সংক্রান্ত ফাটল ও অবনমন প্রসঙ্গে এখনো কোনো স্পষ্ট সমাধান পরিকল্পনা স্থানীয়দের জানানো হয়নি বলে অভিযোগ।
চলমান পরিস্থিতি ২০২৫ সাল জুড়েই সমস্যা ও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। খনিকাজ, কম্পন ও ধসের আশঙ্কায় স্থানীয়দের জীবনযাত্রা যেমন কঠিন হয়ে উঠেছে, তেমনি বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কার্যক্রম নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি—“নিরাপত্তা, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত না করলে এই সংকটের শেষ নেই।”
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা