
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: মৃত্যুর দুদিন পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বৃদ্ধ জহুর আলীর মরদেহ ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী বিএসএফ ফেরত দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টায় উপজেলার বাল্লা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ মরদেহটি হস্তান্তর করে বলে চুনারুঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম জানান।
এ সময় বিজিবি ও পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ওসি বলেন, মরদেহে গায়ে জখমের কোনো চিহ্ন নেই। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জহুর আলী (৬০) উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ডুলনা গ্রামের মুনছব উল্যার ছেলে।
পরিবার জানায়, তিনি ঢাকার বসুন্ধরা এলাকায় এসডিএল কোম্পানি লিমিটেডে একজন নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। ৪ জানুয়ারি পাঁচ দিনের ছুটিতে বাড়ি আসেন।
৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় তিনি বাড়ি থেকে লুঙ্গি বিক্রির জন্য বের হয়েছিলেন। পরে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারও চেষ্টা করে তার আর খোঁজ পায়নি।
৭ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, বাল্লা সীমান্তের ওপারে ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই থানার গৌড় নগরের খোয়াই নদীতে অজ্ঞাত একটি লাশ ভাসছে।
পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খোয়াই টাউন সরকারি হাসপাতালের মর্গে পাঠায় এবং ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে।
পরবর্তীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা মরদেহের ছবি দেখে জহুর আলীকে শনাক্ত করেন। পরে বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হয়। বিজিবি ভারতের বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং লাশ ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানায়।
চুনারুঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, বিজিবি-বিএসএফ ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে খোয়াই থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শুভঙ্কর দেব বর্মা মরদেহটি আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন।
ভারতীয় পুলিশের বরাত দিয়ে পরিদর্শক আরো বলেন, জহুর আলীর দেহে গুরুতর কোনো জখম নেই। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারপরও পিএম রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা