

নুরুল ইসলাম, গাইবান্ধা: সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সীচা চৌরাস্তায় দুই ভাইয়ের কয়েলের গুদামঘরে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, সীচা চৌরাস্তায় মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোঃ আব্দুল ওয়াহাব ও তার ভাই আবু রায়হান তাদের নির্মিত গুদাম ঘরের জায়গা ক্রয় করে বিগত ২০২০ সাল থেকে কয়েলের গুদামঘর হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। গত ২৯ নভেম্বর অনুমান বিকাল ৪ টার দিকে মধ্যে কয়েলের গুদাম ঘরে অনাধিকার প্রবেশ এবং চাঁদা দাবি করে একদল দাঙ্গাবাজ।
তারা হলেন, মৃত মেনহাজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ নাজমুল হুদা, মোমিনুর রহমন মমিন, রাজা মিয়া, মিজানুর রহমান মিলন, রাজা মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া, রাজু মিয়া, মৃত মফিজল হকের ছেলেন ফুল মিয়া, সাইদুর রহমান, সুমন মিয়া, হাকিম উদ্দিনের ছেলে আব্দুল ওয়াহেদ, রমজান আলী, পপি বেগম, আকলিমা বেগম,লুনা বেগম, সেলি বেগম, বদিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান উভয়ে সীচা চৌরাস্তা গ্রামের বাসিন্দা ও চন্ডিপুরের মৃত আঃ রাজ্জাক মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া এবং গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারী গ্রামের শামছুল হক তার স্ত্রী মাসুদা বেগম, সদর উপজেলার আনালেরতাড়ী গ্রামের খয়বর হোসেনের ছেলে মোকছেদুর রহমান মন্টু তার স্ত্রী রিনা বেগম।
মোঃ আব্দুল ওয়াহাব ও তার ভাই আবু রায়হান অভিযোগ করে বলেন, উক্ত ব্যক্তিরা আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জোর পূর্বক প্রবেশ করে চাঁদা দাবী করে এবং তাদের হাতে থাকা লোহার রড, ছোড়া, হাসুয়া, দাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রদ্বারা আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাংচুর চালায়। গুদাম ঘরের জানালা, দরজা ও সিসি ক্যামেরা ভাংচুর করে। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়। এছাড়াও গুদামে থাকা ৫ লক্ষ ২৮ হাজার টাকার ড্রিম লাইট ও কয়েল অটোভ্যান যোগে নিয়ে যায় এবং গুদাম ঘর অন্যায়ভাবে বেদখলের জন্য তালা ঝুলিয়ে দেয়।
হামলায় আছমা বেগম আহত হয়। এসময় দাঙ্গাবাজরা ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা না পাইলে ভবিষ্যতে উক্ত গুদামে প্রবেশ করতে দিবে না মর্মে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি প্রদর্শন করে চলে যায়।
আব্দুল ওয়াহাব দাঙ্গাবাজদের গ্রেফতার করে শাস্তির দাবি জানান এবং সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন যাহা নং-৩২০/২৪।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা