

সালমান হুসাইন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি সবজি ও মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের চড়া দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা। একটি পণ্যের দাম কমলে, অন্যটির বাড়ে কয়েক গুণ। কাঁচাবাজারে এমনটাই অভিযোগ ভোক্তাদের। ৬০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি।
দাম বেশি হওয়ায় কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে ক্রেতারা। তারা বলছেন, নিত্যপণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণহীন থাকার কারণে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও বাড়েনি আয়। প্রতিদিন রান্নাঘরে যেসব উপকরণ দরকার, তার প্রায় সবকিছুরই দাম বেড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজার করতে আসা সাইফুল ইসলাম ছোটন নামে এক ব্যক্তি জানান, প্রতি সপ্তাহে একটা না একটা পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবেই। এটি যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে এসব পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। সরকারের উচিত এসব বিষয়ে কঠোর মনিটরিং করা।
অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা করে। ২০০ টাকা ছুঁয়েছে টমেটোর কেজি। ২৫০- ৩০০ কেজী দরে বিক্রি হচ্ছে কাচামরিচ।বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ৮০-১২০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, ধন্দুল ৮০ টাকা, শসা ৭০-৮০ টাকা ও লতি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, প্রতি কেজি পেঁপে ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৮০-১০০ টাকা, গাজর ৬০-৭০ টাকা, টমেটো ১২০-১৪০ টাকা, কাঁকরোল ৬০-৮০ টাকা ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়
শুধু সবজি নয়, মাছের বাজারেও নেই সুখবর। বড় সাইজের রুই, কাতল কিনতে গুনতে হবে প্রতি কেজি ৪০০-৫০০ টাকা। পাঙাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৮০-২০০ টাকা, পাবদা ৪৫০ টাকা, টেংরা ৮০০, টাকা। লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরছে না কিছুতেই।
সম্পাদক ও প্রকাশক :মোঃ আলামিনুল হক,নিবার্হী সম্পাদক :আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল
যোগাযোগ :ফোনঃ +৮৮০২৫৭১৬০৭০০,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৪১১১৬,Emails:jaijaikalcv@gmail.com
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ, আর. এস. ভবন, ৩য় তলা, মতিঝিল, ঢাকা