Home এক্সক্লুসিভ ‘হাতে চাবি রেখে পুতুল খেলার দিন শেষ’ বললেন এমপি এবাদুল করিম বুলবুল

‘হাতে চাবি রেখে পুতুল খেলার দিন শেষ’ বললেন এমপি এবাদুল করিম বুলবুল

ওয়াহেদুজ্জামান দিপু,নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে মিলন সরদার (৮০) নামে এক বৃদ্ধের দুই চোখ উপড়ে ও জিহব্বা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় আজ বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের নেতৃবৃন্দ ও দলীয় লোকজন নিয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যদের খোজ নিতে গৌরনগর গ্রামে গিয়ে একথা বলেন তিনি। এসময় এ খুনের ঘটনার পেছনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিদেরকে উদ্যেশ্য করে তিনি  বলেন। যারা আধিপত্যের দোহাই দিয়ে এলাকায় বিশৃংখলা খুনোখুনি করে সবার নাম তালিকায় তোলা হচ্ছে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবেনা।

এদিকে নবীনগরে আলোচিত পা কাটার ঘটনার রেশ না কাটতেই একই ইউনিয়নে আবারও খুনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। এমপির সফরসঙ্গী হিসাবে ওই এলাকায় যান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির, পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শিব শংকর দাস,উপজেলা নির্বাহী অফিসার একরামুল ছিদ্দিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হালিম,উপজেলা দাঙ্গা নিরসন কমিটির সভাপতি এডভোকেট সুজিত কুমার দেব, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন চৌধুরী সাহান, জেলা পরিষদের সদস্য  বীর মুক্তিযোদ্ধা বোরহান উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সাদেক, নবীনগর থানার ওসি আমিনুর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম নজু, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, উপ-প্রচার সম্পাদক প্রণয় কুমার ভদ্র, শ্রীরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু জামাল, বড়াইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক জহির রাইহান  উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকগন।

খোজ নিয়ে জানা যায়, এবাদুল করিম বুলবুল  এমপি দাঙ্গা প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের কয়েক যুগ ধরে চলে আসা বিরোধের নিষ্পত্তির লক্ষে আগামী মাসে বিরোধ মিমাংসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। মিমাংসার আগেই আরেকটা খুনের ঘটনা ভাবিয়ে দিয়েছে ‘আমরা এখনো মানুষ হয়ে উঠতে পারিনি। এ ঘটনায় সুশীল সমাজের অনেকেই মনে করছেন, এই বুঝি নবীনগর নিয়ে আবারও দেশবাসীর কাছে ভ্রান্ত প্রশ্ন দেখা দিবে!

স্থানিয়দের উদ্যেশে দেয়া বক্তব্যের এক পর্যায়ে এমপি বলেন, সামনের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে এই খুন নিয়ে যেন কোন অপরাজনীতি না হয় সেদিকে গ্রামবাসীর খেয়াল রাখতে হবে। এমপি এও বলেন, গ্রামের মধ্যে বিশৃংখলা তৈরীতে কেউ কেউ নিরিহ লোকদের উস্কানি দিয়ে চাদা তোলে এলাকায় বিশৃংখলা  সৃষ্টি করে। প্রবাসীদের অনেকেই এলাকার আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে লাখ লাখ টাকা খরচ করে দাঙ্গা জিইয়ে রাখে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে  সাংসদ হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা চাদা তুলবে বা দিবে উভয়কেই আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরো বলেন, ঘটনার আড়ালে থেকে যারা কলকাঠি নাড়ে তারাই আসল অপরাধী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here