শামিম হাসান খান, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার ছেলে উসামা আহম্মেদ প্রমিতের আত্নার আত্নীয় আইয়ুব বাচ্চু। তরুণ বয়সেই আইয়ুব বাচ্চুর কন্ঠের জাদুতে সুরের ভুবনে য়েন হারিয়ে য়েত প্রমিত।

আইয়ুব বাচ্চুর গানের, সুর’ লয়’ ছন্দে_ প্রমিতের হৃদয় হয়েছিল প্রশান্ত। গভীর মগ্নতায় আইয়ুব বাচ্চুকে পাঠ করতে শুরু করে প্রমিত স্কুল জীবন থেকেই। সেই থেকেই আইয়ুব বাচ্চুর গানের সুরে জীবন খোঁজা প্রমিত, আজ আইয়ুব বাচ্চু খ্যাত কুষ্টিয়ার প্রমিত রক। আজ আইযুব বাচ্চুর ৩ য় মৃত্যু বাষিকী। আইযুব বাচ্চুকে স্মরণ করে, কুষ্টিয়া জনপ্রিয় রক স্টার উসামা আহম্মেদ প্রমিত রক, আইযুব বাচ্চুকে কিংবদন্তির নামে অাখ্যায়িত করেন, বাচ্চু চট্টগ্রামে ১৯৭৬ সালে কলেজ জীবনে “আগলি বয়েজ” নামক ব্যান্ড গঠনের মাধ্যমে তার সঙ্গীত জীবনের সূচনা করেছিল। ১৯৭৭ সালে তিনি “ফিলিংস” (বর্তমানে “নগর বাউল” নামে পরিচিত) এ যোগদান করেন এবং ব্যান্ডটির সাথে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত কাজ করেছিলেন। একই বছরে তিনি জনপ্রিয় রক ব্যান্ড সোলস-এর প্রধান গীটারবাদক হিসেবে যোগদান করেন। সোলসের সঙ্গে তিনি ১৯৯০ সাল পর্যন্ত, সুপার সোলস (১৯৮২), কলেজের করিডোরে (১৯৮৫), মানুষ মাটির কাছাকাছি (১৯৮৭) এবং ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট (১৯৮৮) চারটি অ্যালবামে কাজ করেছিল। ১৯৯১ সালের ৫ এপ্রিল তিনি তার নিজের ব্যান্ড লিটল রিভার ব্যান্ড গঠন করে, যা পরবর্তীকালে লাভ রান্স ব্লাইন্ড নামে বা সংক্ষেপে এল আর বি নামে জনপ্রিয়তা লাভ করে। তিনি তার মৃত্যু অবধি ২০১৮ সাল পর্যন্ত ২৭ বছর ধরে ব্যান্ডটির সঙ্গে ছিলেন। একজন একক শিল্পী হিসেবেও তিনি সফলতা পেয়েছিল। তার প্রথম একক অ্যালবাম রক্ত গোলাপ, যা ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় অ্যালবাম ময়না (১৯৮৮) দিয়ে, তিনি তার একক কর্মজীবনের সফলতা অর্জন করেন এবং পরে কষ্ট (১৯৯৫) অ্যালবামটি প্রকাশ করেন, যা প্রচুর সফলতা অর্জন করে। ২০০৭ সালে তিনি দেশের প্রথম বাদ্যযন্ত্রগত অ্যালবাম সাউন্ড অফ সাইলেন্স প্রকাশ করেন। বাচ্চু এল আর বি’র সাথে এবং একজন একক শিল্পী হিসেবে প্রচুর অ্যালবাম বিক্রয় করেছেন। বাচ্চু বাংলাদেশে একজন অন্যতম সেরা গীটারবাদরক এবং অন্যতম প্রভাবশালী গীটারবাদক। এল আর বি’র সাথে সে ছয়টি মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার এবং একটি সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস জিতেছেন। ২০০৪ সালে বাচসাস পুরস্কার জিতেছিলেন সেরা পুরুষ ভোকাল বিভাগে। ২০১৭ সালে সে টেলে সিনে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার জিতেছিলেন। বাচ্চু তার বান্ধবী ফেরদৌস চন্দনা’কে বিয়ে করেছিলেন ১৯৯১ সালের ৩১শে জানুয়ারিতে। তাদের দু’টি সন্তান আছে। মেয়ে ফাইরুজ সাফরা আইয়ুব এবং ছেলে আহনাফ তাজওযার ইয়ুব। ছয় বছর ধরে ফুসফুসে পানি জমার অসুস্থতায় ভোগার পর ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ঢাকায় তার নিজ বাসভবনে মারা যান। মৃত্যুর দুইদিন আগে তিনি রংপুরে তার শেষ কনসার্ট করেন। তাকে চট্টগ্রামের চৈতন্য গলি’তে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে, তার মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়। কুষ্টিয়া জনপ্রিয় রক স্টার উসামা আহমেদ প্রমিত,, আইযুব বাচ্চুর জন্য, সবার কাছে দু,ওয়া ও ভালোবাসা প্রাথনা করেছেন। ওপারে ভালো থাকুন, বাংলার গানের রক স্টার আইযুব বাচ্চু।

যায়যায়কাল/১৮অক্টোবর/কেএম/শামিম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here