
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার): মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দাসের বাজার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমর্থক গোষ্ঠী ও দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান-প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ফেনী ও কুমিল্লা জেলার বন্যা দুর্গতদের সহায়তার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ৫১ হাজার টাকা দিয়েছে।
বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজরাতুন নাঈমের কার্যালয়ে তার হাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমর্থক গোষ্ঠী ও দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান-প্রাক্তান শিক্ষার্থীরা অর্থ তোলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক রনজিৎ কুমার দাস, সাংবাদিক মোহাম্মদ মস্তফা উদ্দিন,ছাত্র আন্দোলন সমর্থক গোষ্ঠীর মারুফ আহমদ, ওয়াহিদুর রহমান, মাহিদুর রহমান,মাহবুব রহমান, বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে পুস্পা বেগম, ফাতেমা বেগম, সুমাইয়া তানজিন, শ্রীধাম মল্লিক, মাহিন আবেদিন ছাইয়ুম আহমদ, প্রনব রঞ্জন মালাকার, রিয়া দাস, প্রমি দাস প্রমুখ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমর্থক গোষ্ঠী দাসের বাজারের মারুফ আহমদ জানান, বন্যায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফেনী, কুমিল্লা ও নোয়াখালী জেলার মানুষ। তাদের পাশে দাঁড়াতে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে আর্থিক সহায়তা প্রদানের আহবান জানানো হয়। এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে দাসের বাজার উচ্চ বিদ্যালের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এবং দাসের বাজার আদর্শ কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ্বস অর্থ সহায়তার পাশাপাশি আমরা রাস্তায় দাড়ি যানবাহন ও পথচারীদের আহবান জানালে তাদের আর্থিক সহযোগিতায় ২ লাখ টাকা সংগ্রহ করি। উত্তোলনকৃত টাকা হইতে আমরা প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ৫১ হাজার টাকা দিয়েছি। বাকি টাকা দিয়ে রাজনগর ও বড়লেখা উপজেলার ২ শতাধিক বন্যার্ত পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, আলু, ফেয়াজ ও বিস্কুট বিতরণ করেছি। আমাদের এ কাজে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক রঞ্জন দাস, সহকারী শিক্ষক মাওলানা আব্দুল হামিদ, প্রভাষক ওয়াহিদুর রহমান, সাংবাদিক মস্তফা উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য মনির উদ্দিন।
ইউএনও নাজরাতুন নাঈম বলেন, বানভাসি মানুষের সহায়তায় অনুদান নিয়ে এগিয়ে এসেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের এ উদ্যোগ প্রসংশনীয়। শিক্ষার্থীদের ক্ষুদ্র এ প্রচেষ্টা মানবিক বাংলাদেশ গঠনে অবশ্যই স্বপ্ন দেখাবে।
এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের দায়িত্ববোধ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তোমরা মন দিয়ে লেখাপড়ার চালিয়ে যাও। এক দিন তোমরাই দেশের হাল ধরবে।











