
কাইয়ুম মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় আলোচিত কর্নসুতী দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বৃহস্পতিবার সকালে র্যাব-১২ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উপজেলার একটি মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রলুব্ধ করে অপহরণের পর ডেরা ফাস্ট ফুড এ্যান্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্ট হোটেলে গান বাজনা ও মাদক সেবন করে তার সহযোগিদের নিয়ে নাইম হোসেন ধর্ষণ করেন ।
ধর্ষণের একপর্যায়ে ধর্ষিতা মাদ্রাসা ছাত্রীটি অজ্ঞান হয়ে পরলে, তার সহযোগিরা মিলে ধর্ষক চক্রের সদস্যরাই আবার ঐ নারীকে সিরাজগঞ্জ কমিনিটি হসপিটালে নিয়ে ভর্তি করে তার পরিবারের লোকজনকে ফোন দেয়।
পরে তার পরিবার সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর অবস্থা আশস্কাজনক দেখতে পেয়ে শহীদ এম মুনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হসপিটালে ভর্তি করেন ।এই ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী পরিবার থানায় মামলা দায়ের করেন।
ধর্ষনের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারে থাকা অনন্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান আসামি পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাহিরেই থেকে যায়।
কিন্তু এই আলোচিত ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি পলাতক থাকায় র্যাব অভিযান চালিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামি কামারখন্দ থানার চর কামারখন্দ গ্রামের রহমত আলীর ছেলে নাইম হোসেন(২০)কে কুমিল্লা জেলার তিতাস থানার জিয়ারকান্দি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র্যাব ।
র্যাব জানায়, শিশু ও নারী নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











