
জিয়াউল হক (খোকন), নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মাদাপুর গ্রামে চাঁদার দাবীতে মধ্যরাতে জঙ্গি হামলা ও আগুন সন্ত্রাসের ঘটনায় জঙ্গি সংগঠনের নেতা, শাপলা চত্বরে ও বায়তুল মোকাররমে জঙ্গি হামলার অন্যতম আশিকুজ্জামান বিন আখের ওরফে জঙ্গী সুমন ও তার ভাই আসাদসহ নামীয় ৫ জন ও অজ্ঞাত ২০/২৫ জনের নামে দৌলতপুর থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং ৫৫, তারিখ ২৯/০৩/২০২৩। পেনালকোড ১৪৩/৩৪২/৩২৩/৩৮৫/৪৩৬/৫০৬/১১৪ ধারা অনুযায়ী মামলা হয়েছে। ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে ঠিকাদার ফিরোজ কায়সারের কাছে। না পেয়ে ঠিকাদারের মাটি খনন কাজে ব্যবহৃত এসকেভেটরে মধ্যরাতে অগ্নি সংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়। ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে আনুমানিক রাত পৌনে ৪ টার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তার আগেই এসকেভেটরের ইঞ্জিন সহ সব কিছু মেশিনারিজ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
আসামিদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্য দৌলতপুর থানা পুলিশ একাধিক অভিযান পরিচালনা করেছে তবে তারা গ্রেফতার এড়াতে পালিয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, আসামি আশিকুজ্জামান বিন আখের ওরফে সুমনের ফেসবুক আইডিতে জঙ্গি মৌলবাদীর পক্ষে এবং সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বিভিন্ন রকম পোস্টের প্রমাণ পেয়েছি। তার বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজি সহ নানা অভিযোগ রয়েছে। কোন অপরাধী পুলিশের হাত থেকে রেহায় পাবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উল্লেখ্য যে, গত ২৮ মার্চ বিকেলে দাবীকৃত চাঁদার ৫ লাখ টাকা না পেয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে হিসনা নদী খননের মাটি অপসারণের কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে টেন্ডারপ্রাপ্ত ইজারদার ফিরোজ কায়সারের ভাড়াকৃত এসকেভেটরের চাবি কেড়ে নেয় এবং চালককে আটকে রাখে। স্থানীয় জনগন ও পুলিশের সহায়তায় চালককে উদ্ধার করা হয়। ঐদিনই দিবাগত রাত পৌনে ৩ টার দিকে আসামীরা এসকেভেটরে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়।