
খাইরুল হাসান, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া): মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলাকে হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে কৃষ্ণনগর ফুটবল একাডেমি।
গত বছর আজকের এই দিন, পহেলা জানুয়ারি, আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এই একাডেমি। মাত্র এক বছরের মধ্যেই ক্লাবটি এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছে।
স্থানীয় যুবকদের নিয়মিত শরীরচর্চা ও ফুটবল অনুশীলনের মাধ্যমে সুস্থ ও শৃঙ্খল জীবনধারায় ফিরিয়ে আনতেই একাডেমিটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে একাডেমিটিতে প্রায় ৭০ জন সদস্য নিয়মিত খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—ক্লাবটি সম্পূর্ণভাবে নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে, যা এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
খেলাধুলার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরির ফলে যুবকদের একটি বড় অংশ মাদকের ভয়াল পথ থেকে দূরে সরে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে গত এক বছরে কৃষ্ণনগর ফুটবল একাডেমি দেশের নানান প্রান্তে ফুটবল ম্যাচে অংশগ্রহণ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। এসব অর্জনের মাধ্যমে একাডেমিটি শুধু স্থানীয় পর্যায়েই নয়, বরং বৃহত্তর পরিসরেও নিজের অবস্থান দৃঢ় করতে সক্ষম হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় কৃষ্ণনগর ফুটবল একাডেমি ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।
এ বিষয়ে ক্লাবটির সভাপতি মেহেদি হাসান কালন আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু ফুটবল খেলা নয়, যুবসমাজকে মাদক থেকে বাঁচানো। খেলাধুলার মাধ্যমে যদি একজন যুবকও সুস্থ জীবনে ফিরে আসে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য। এলাকাবাসীর ভালোবাসা ও সমর্থন আমাদের এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করছে।”
এক বছর পূর্তির এই দিনে ক্লাবটির উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে এলাকাবাসী জানান, খেলাধুলাভিত্তিক এমন আয়োজন যুবসমাজের জন্য সত্যিই আশীর্বাদস্বরূপ। ভবিষ্যতে কৃষ্ণনগর ফুটবল একাডেমির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং মাদকবিরোধী আন্দোলনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।











