শুক্রবার, ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ

নেত্রকোনায় নির্ধারিত সময়ের ১৮ মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান হয়েনি সেতুর নির্মাণ কাজ

মেহেদী হাসান নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার সদর উপজেলার ১১নং কালিয়ারা গাবড়াগাতি ইউনিয়নের নাইড়াপাড়া কুমারপুর গ্রামের কামারকালী কালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ গত দুই বছর ধরে চলমান থাকেলও ইতিমধ্যে সেতুর নির্মাণকাজের মেয়াদকালও শেষ হয়ে গেছে প্রায় ২বছর সেতু কবে নির্মাণ হবে তা কেউ বলতে পারছে না।এতে ভোগান্তি পোহাচ্ছে প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ।
নেত্রকোনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে: গত ২৭/০৫/২১ সালে কামারকালি কালেরর ওপর সেতু নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয়। ৪০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫৮০ হাজার ৬৮৪ টাকা।
ব্যয়ে মেসার্স মির্জা কন্ট্রাকশন-মাসুম কন্ট্রাকশন(জেভি)হারুয়া(বড় বাড়ি) কিশোরগঞ্জ। মেসার্স মির্জা কন্ট্রাকশন-মাসুম কন্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। কাজের মেয়াদকাল ধরা হয় ০৮/১০/২২ সাল পর্যন্ত।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের দুই বছর সময় চলে গেলেও সেতু নির্মাণ হয়নি।সব মিলিয়ে সেতুর কাজ হয়েছে মাত্র ৩৫ শতাংশ। সেতুটি না হওয়ায় মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সেতু না থাকায় বর্ষাকালে নৌকায় আর শুকনো মৌসুমে হেঁটে কাল পাড় হয়ে প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ চলাচল করতে হয়।সেতু না এলাকার সহস্রাধিক শিক্ষার্থীসহ লোকজন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা বলেন: এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে ২৭/০৫/২১ নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিলো ০৮/১০/২২ পর্যন্ত কিন্তু নির্ধারিত সময়ে প্রায় দুই বছর চলে গেলেও দৃশ্যমান হয়নি সেতুর কাজ ব্রিজের নিচ দিয়ে রাস্তাটি মেরামতের জন্য ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার কিন্তু রাস্তার কাজ না করায় ভোগান্তিতে প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ।
এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলেন: আমাদের পাশের গ্রাম মুক্তিযোদ্ধাদের বীর নিবাস হচ্ছে সেখানকার মালামাল নিতে অনেক কষ্ট হয় হ্যান্ট্রোলি যায় না দিতে হয় অতিরিক্ত গাড়ি ভাড়া জটিল কোন রুগী থাকলে পরতে হয় বিপদে। ধান বিক্রি করতে গেলে বাজারে যদি থাকে ১০০০ টাকা মন। তাহলে আমরা বিক্রি করতে হয় আসছে টাকা মন শুধু সেতুটির কারণে আমরা খুব কষ্টে আছি।
এই বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মো.কাউসার মিয়া বলেন: রড-সিমেন্টের দাম বাড়ায় এই কাজটাও দেরি হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে দিবো তবে রাস্তা মেরামতের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন বৃষ্টির কারণে করতে পারি নাই কিছুদিনের মধ্যেই রাস্তাটি মেরামত করে দেব।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Tumblr
Telegram

বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যায়যায়কাল এর সর্বশেষ সংবাদ