
যায়যায়কাল প্রতিবেদক : জাতীয়করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক গেজেট থেকে বাদ পড়া প্রধান শিক্ষকদের ‘প্রধান শিক্ষক’ পদে গেজেট বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।
বাদ পড়া এসব শিক্ষক বৈষম্যের শিকার হয়েছেন জানিয়ে তারা অবিলম্বে গেজেট প্রকাশের দাবি করেন সরকারের কাছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয়করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় গেজেট থেকে বাদ পড়া প্রধান শিক্ষক ঐক্যজোটের আহ্বায়ক খ ম হুমায়ুন কবীর ও সদস্যসচিব খায়রুল ইসলামসহ শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০১৩ সালে দেশের ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক লাখ আট হাজার ৭৭২ জন শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ হয়। এরপর প্রতি বিদ্যালয়ের জন্য একজন প্রধান শিক্ষক ও চারজন সহকারী শিক্ষকের পদ সৃষ্টির ঘোষণা দেওয়া হয়। সেই ঘোষণা অনুসারে ২৬ হাজার ১৯৩টি বিদ্যালয়ের জন্য ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও প্রথম ধাপের ২২ হাজার ৯৮১ জন শিক্ষকদের মধ্যে কিছুসংখ্যক প্রধান শিক্ষককে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কিন্তু প্রথম ধাপের বাকি শিক্ষকসহ দ্বিতীয় ধাপের দুই হাজার ২৫২টি এবং তৃতীয় ধাপের ৯৬০টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাদের প্রধান শিক্ষক পদ স্থগিত রেখে ‘সহকারী শিক্ষক’ হিসেবে গেজেট প্রকাশ করা হয়।
শিক্ষকরা বলেন, আমরা জাতীয়করণের আগে জারীকৃত গেজেট ও পরিপত্রের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এসএমসি কর্তৃক প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়ে মেধা, শ্রম ও দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার সঙ্গে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছি। প্রধান শিক্ষক পদে গেজেটভুক্ত না হওয়ায় সংক্ষুব্ধরা আদালতের দ্বারস্থ হন এবং আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেন। তাই ‘প্রধান শিক্ষক’ পদে গেজেট পাওয়া আমাদের সাংবিধানিক অধিকার।
এ সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন গেজেট থেকে বাদ পড়া প্রধান শিক্ষক নেতা হুমায়ুন কবির, মো. গোলাম মোস্তফা, আতিকুর রহমান খোকন, মনির হোসেন, শহিদুল ইসলাম, এমদাদ হোসেন, জিয়াউদ্দিন বাদল, মিনারুজ্জামান মিন্টু, মো. আবু হানিফা, মো. হেমায়েত, মো. দেলোয়ার হোসেন, আশরাফুল হোসেন, মালিক মামুন ও ২০২৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক মো. এরফান আলী প্রমুখ।











