
দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ থানার পুলিশের কঠোর অভিযানে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ১৩ আসামির মধ্যে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বাকিরা এখনও পলাতক রয়েছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তারা আত্মগোপনে ছিলেন। টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার সংলগ্ন গড়াই এলাকায় বসবাস করছিল। তাদের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকে একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে (মামলা নং এমআর-১/২০২৫ )।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন বোচাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ হাসান সরকার। অভিযানে অংশ নেন এএসআই লিখন কুমার, এএসআই সংকর রায়, এসআই আবদুর রহমান, কনস্টেবল আইয়ুব। এছাড়াও টাঙ্গাইল পুলিশের একজন সদস্য অভিযানে সহযোগিতা করেছেন।
আটক আসামিরা হচ্ছেন- লাইছুর রহমান (৫৩), পিতা মফির উদ্দিন, লিপি আক্তার (৪৪), স্বামী লাইছুর রহমান, মোছাঃ আশা আক্তার (২৬), পিতা লাইছুর রহমান।
আটককৃত তিন আসামিকে কোর্টে হাজির করার পর আদালতের নির্দেশে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে বোচাগঞ্জ থানা পুলিশ।
পলাতক আসামি ১০ হচ্ছেন, ১. মোঃ রুবেল খান (৩৩), পিতা আব্দুল মজিদ, ২. মোঃ সোহেল খান (৩১), পিতা আব্দুল মজিদ, ৩. মোছাঃ ইভা বেগম (২৮), স্বামী রুবেল খান, ৪. মোছাঃ লাবনী বেগম (২৫), স্বামী সোহেল খান, ৫. মোছাঃ সুখজান বেগম (৪৫), স্বামী মফিজুল ইসলাম। তাদের ঠিকানা- কলেজপাড়া মাদ্রাসা রোড, মেলার মাঠ এলাকা, ৭ নং ওয়ার্ড, সেতাবগঞ্জ পৌরসভা, বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর।
মামলা নং: সিআর নং ১৫১/২৪, সিআর নং ১৮৪/২৪, নির্বাহী কোর্ট পি মামলা নং ৩৯৬/২৪
৬. মোঃ রাসেল (২২), পিতা আব্দুল মজিদ, ৭. মোছাঃ আলো আর্জিনা বেগম (১৯), পিতা মোঃ আলম। তাদের বর্তমান ঠিকানা স্টেশনপাড়া, সেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
মামলা নং: সিআর নং ৬৯/২৫, সিআর নং ১৪৭/২৫।
স্থায়ী ঠিকানা: ৬ নং ওয়ার্ড, ৩ নং মুর্শিদাহাট ইউনিয়ন পরিষদ, জালগাঁও, বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর
৮. মোছাঃ রাশিদা আক্তার (২৮), স্বামী দেলোয়ার হোসেন
৯. মোঃ নয়ন মিয়া (২৩), পিতা লাইছুর রহমান
১০. মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩৭), শ্বশুর লাইছুর রহমান
মামলা নং: নির্বাহী কোর্ট মামলা নং এমআর১/২৫, বোচাগঞ্জ থানার মামলা নং ৪/২৩, দিনাজপুর কোর্ট বিচার ফাইল নং ১২৯/২৩ (তিনজন আটক), সিআর নং ৯০১/২৪ (তিনজন আটক), সিআর নং ২৫৪/২৪ (তিনজন আটক)। সিআর নং ১৪৭/২৫ (তদন্তধীন রয়েছে)।
পুলিশের এই অভিযান সফল হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
স্থানীয়রা মনে করছেন, বোচাগঞ্জ থানার ওসি জাহিদ হাসান সরকারের নেতৃত্বে এবং এএসআই লিখন কুমার, এএসআই সংকর রায়, এসআই আবদুর রহমান ও কনস্টেবল আইয়ুবসহ পুলিশের চৌকস সদস্যদের অবদানে অপরাধ দমনে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে।











