
মিনহাজ আলী, শিবগঞ্জ (বগুড়া): বগুড়ার শিবগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে মারপিটের ঘটনায় মামলা দেয়ার পর সেই মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে বিবাদীদের বিরুদ্ধে।
উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের চাকলমা গ্রামে এঘটনা ঘটে। এব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগী মেহেদুল ইসলাম।
অভিযুক্তরা হলেন, চাকলমা পূর্বপাড়া গ্রামের তরিকুল ইসলাম বাবু(৩০), আবু বকর সিদ্দিক(৬০), তরিকুলের স্ত্রী ছালমা খাতুন(২৫), শংকরপুর গ্রামের শাহজাহান আলী(৫০)।
সাধারণ ডায়েরিতে মেহেদুল উল্লেখ করেন, আসামিদের সাথে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিলো। সেই বিরোধকে কেন্দ্র করে চলতি বছরের গত ৯ মে তরিকুল ও শাহজাহান লাঠিসোঁটা, লোহার রড, দা-কুড়াল ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বেআইনীভাবে আমাদের ভোগ দখলীয় জমির ২৫০টি কলার গাছ কেটে নষ্ট করে। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন হয়। বিষয়টি জানতে পেরে আমি, ভাতিজা শিথিল ও ভাবি সাবিনা খতুন ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিদের বাধা নিষেধ করলে তারা এলোপাতাড়ি মারপিট করে গুরুতর জখম, শ্লীলতাহানি ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় আমার ভাই মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে বিবাদীগণ বিভিন্ন সময় জামিনে মুক্ত হয়ে বাড়িতে এসে মামলা উঠাইয়া নেয়ার জন্য আমাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে খুন জখমের হুমকি দেন। বিবাদী ছালমা ও শাহজাহান মোকামতলা বন্দরের স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় আমাদের যাতায়াতের বাধার সৃষ্টি করবে বলে দাবান শাসান করে। গত ২৭ মে সকল বিবাদীরা আমার বসতবাড়ির সামনে এসে মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে এবং আমাকে বলে যে, তুই মামলার ভিকটিম। তুই বললেই মামলা তুলে নেয়া সম্ভব। দ্রুত মামলা তুলে নে। তাছাড়া রাস্তাঘাটে তোদের কাউকে পেলে মেরে লাশ বানিয়ে ফেলবো। এমতাবস্থায় আমরা জীবনে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি প্রশাসনের সুবিচার কামনা করেন করছি।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান জানান, এবিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি নেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।











