
মো. আখতার হোসেন হিরন, সলঙ্গা: সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার সকাল ৯ ঘটিকায় সলঙ্গা থানা মাঠে এ পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সলঙ্গা বাজার শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে থানা শাখা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম শহীদের পরিচালনায় প্রধান মেহমান ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সলঙ্গা-উল্লাপাড়ার গণমানুষের নেতা, উল্লাপাড়ার কৃতি সন্তান, জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি জেনারেল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম খান।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, এই জালিম সরকারের কারণে আমি সুদীর্ঘ ১৫ বছর জেল-জুলুম সহ্য করেছি। আপনাদের মাঝে আসতে পারি নাই। এমনকি আমার বাবা-বোনসহ অনেকের জানাযায় শরিক হতে পারি নাই। তবুও আমি আল্লাহর উপর ভরসা করে স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই প্রয়োজনে বাকি জীবন আপনাদের জন্য, সলঙ্গা-উল্লাপাড়ার উন্নয়নের জন্য উৎসর্গ করে দিব ইনশাআল্লাহ।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আমীর মাওলানা অধ্যক্ষ শাহীনুর আলম। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী সলঙ্গা থানা আমীর মো. হুসাইন আলী।
উক্ত পথসভায় সকাল থেকে মানুষের ঢলে মুখরিত ছিলো সলঙ্গা থানা মাঠসহ আশপাশের এলাকা। এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সলঙ্গা-উল্লাপাড়ার আগামী দিনের বৃহৎ কর্ম পরিকল্পনায় আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক নুর মোহাম্মদ মন্ডল।
রায়গঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এবিএম আব্দুস সাত্তার। সলঙ্গা থানা জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সদরুল ইসলাম।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, আমাদের দেশের তরুণ ছাত্ররা আমাদেরকে নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে। এই ছাত্র সমাজ নিয়ে বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন থানা জমায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ছাত্ররা দেশকে দ্বিতীয়বার স্বাধীন করেছে। সবাইকে একত্রিত হয়ে দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন কোনো দলের একার বিজয় নয়, এই বিজয় ছাত্র-জনতার। জীবনের বিনিময়ে অর্জিত ঐতিহাসিক বিজয়। শেখ হাসিনা পতনের খবরে সর্বস্তরের মানুষের মনে এক স্বস্তির ফিরে এসেছে পেয়েছে মুক্ত মনে কথা বলার অধিকার।
সবশেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা সহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।











