
নিজস্ব প্রতিবেদক: সুদীপ দেবনাথ(রিমন সূর্য),অদ্য ২১ নভেম্বর ২০২২ জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সশস্ত্রবাহিনী দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে “সশস্ত্রবাহিনীর ইতিহাস ও অবদান” শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। হৃদম কালচারাল সোসাইটির আয়োজনে, সভাপতিত্ব করেন কর্নেল মিয়া মশিউজ্জামান, হৃদম কালচারাল সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সঞ্চালক মেজর আমীন আহমেদ আফসারী (অব:)। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম এমপি। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের বিভিন্ন কল্যাণমুখী ও উন্নয়নের সুপারিশ যথাযথ সেনা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাবেন বলে সকলকে অবগত করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমিনুল করিম (অব:), ব্যারিস্টার মেজর সরোয়ার হোসাইন, কমান্ডার এস জাকারিয়া খান (অব:), অনারারি ক্যাপ্টেন জিল্লুর রহমান সরকার, অনারারি ক্যাপ্টেন অ্যাডভোকেট মোঃ আফাজুল হক, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার অবসরপ্রাপ্ত আবু বক্কর, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন জিল্লুর রহমান সরকার, সার্জেন্ট মোঃ আলাউদ্দিন।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, হৃদম কালচারাল সোসাইটির আয়োজনে এমন একটি মহতি উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়, পূর্বে তিন বাহিনী আলাদা আলাদা ভাবে এই অনুষ্ঠানটি ও দিবসটি পালন করতো কিন্তু বর্তমানে জাতীয়ভাবে অনুষ্ঠানটি পালিত হয়। বেসামরিক পরিবেশে দিবসটি পালন করায় হৃদম কালচারাল সোসাইটি কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন জাতীয় ইসুগুলোতে কোন দল ব্যক্তি মত বিবেচনা না করে সবাই দেশপ্রেমের উদ্বুদ্ধ হলে দেশ এগিয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা সামরিক এবং বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে একসাথে কাজ করার প্রত্যয়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। প্রধান বক্তা আমিনুল করিম বলেন, সামরিক পরিবেশের বাইরে এ ধরনের সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করায় হৃদম কালচারাল সোসাইটি ও এর উদ্যোক্তা সকলকে তিনি ধন্যবাদ জানান এবং সেই সাথে এ ধরনের অনুষ্ঠান আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ করবে দেশের সার্বিক উন্নতি অগ্রগতি সফলতা অর্জনে। অনুষ্ঠানের শুরুতে সশস্ত্রবাহিনীর ইতিহাস পটভূমি ও তাৎপর্য উল্লেখ করে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন লে: কর্নেল মেহেরুব আল হাসান পিএসসি (অব:)। উক্ত অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তা প্রেরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুরুদ্দিন খান (অবঃ)। সশস্ত্রবাহিনী দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রধান অতিথি কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিঃ নিরবতা পালন করা হয় এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।
রিমন/ সুদীপ











