বৃহস্পতিবার, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ধুনটে টানা তৃতীয়বার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক এমরুল কায়েস খান

রবিউল ইসলাম রবি, ধুনট (বগুড়া): বগুড়ার ধুনট উপজেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এ টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমরুল কায়েস খান।

এর আগে তিনি ২০১৯ ও ২০২৪ সালেও উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন। ধারাবাহিক এ অর্জনে শিক্ষা অঙ্গনে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্তকরণ এবং আধুনিক ও আনন্দমুখর পাঠদান পদ্ধতি বাস্তবায়নে বিশেষ অবদান রাখায় তাকে পুনরায় এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে।

উপজেলার শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, একজন দক্ষ ও চৌকস শিক্ষা সংগঠক হিসেবে এমরুল কায়েস খান ইতোমধ্যে ধুনটের শিক্ষা অঙ্গনে আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থা, শৃঙ্খলা ও ফলাফলে দৃশ্যমান উন্নয়ন ঘটেছে। টানা তিনবার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিতরা হলেন—

শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ সাবিনা ইয়াসমিন, বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক মোঃ সানোয়ার হোসেন, ভরণশাহী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ জান্নাতুল ফেরদৌস, বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক সুলতান মাহমুদ, কাশিয়াহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষিকা আবিদা সুলতানা, নাংলু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শ্রেষ্ঠ কর্মচারী ইব্রাহিম খলিল, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

শ্রেষ্ঠ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ রেজাউল করিম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, ধুনট।

২০২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এ ধুনট উপজেলার ২০২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে বিশ্বহরিগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিক্ষা, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ অবদান এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রতিষ্ঠানটি এ গৌরব অর্জন করে।

বিদ্যালয়টির এ সাফল্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ধারাবাহিক ভালো ফলাফল ও শিক্ষার মানোন্নয়নের কারণেই বিদ্যালয়টি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Tumblr
Telegram

, , বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যায়যায়কাল এর সর্বশেষ সংবাদ