সোমবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এর সর্বশেষ সংবাদ

ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলনে নেতৃত্বের দৌড়ঝাঁপে এগিয়ে যারা

কাজী মামুনুর রহমান (মাহিম): বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজহাতে গড়া আদর্শভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম সম্মেলনকে কেন্দ্র করে পদপ্রত্যাশীদের চোখে যেনো নেই ঘুম। আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম এই ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের বহুল প্রতীক্ষিত ৩০ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৮ ও ৯ ডিসেম্বর। সেই সাথে ২ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মিলিতভাবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সম্মেলন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সম্মেলন অপরাজেয় বাংলা ৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

ইতিমধ্যেই আজ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে ৩০তম সম্মেলনের বিস্তারিত জানিয়েছেন। আগামী ৮ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এবং ৯ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউশনে ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন হবে। এ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব পাবে ছাত্রলীগ। এরইমধ্যে সম্মেলনের প্রথম তারিখ ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে গেছে ছাত্র নেতাদের দৌড়ঝাঁপ। নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উচ্ছ্বাস, ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য। নতুন নেতৃত্বে আসার জন্য দলের নীতি নির্ধারক পর্যায়ে লবিং-তদবিরে তৎপর ছাত্র নেতারা। আগামীর নেতৃত্বে কারা আসছেন তারই প্রতীক্ষায় প্রহর গুণছেন কর্মী-সমর্থকরা। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পরপরই মধুর ক্যান্টিনের বাইরে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়েও পদপ্রত্যাশীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে। সাংগঠনিক দক্ষতা ও যোগ্যতা থাকা স্বর্তেও বয়সের কারণে আটকে যেতে পারে অনেকের নেতৃত্বের চাকা। বিভিন্ন মহলে চলছে নানা রকম গুঞ্জন। তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্লিন ইমেজ, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ এবং ত্যাগী নেতাদের বিবেচনায় রাখছে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। এসব দিক বিবেচনায় এগিয়ে রয়েছেন দুই ডজনেরও বেশি পদপ্রত্যাশী।

সূত্র বলছে, বিভাগ ভিক্তিক রাজনৈতিক মেরুকরণের জন্য এক এক সময় এক এক বিভাগ থেকে নেতৃত্ব নিয়ে আসা হয়। যদিও ফরিদপুর অঞ্চল থেকে নিয়মিত একজন থেকেই যাচ্ছে শীর্ষ নেতৃত্বে। তাই অঞ্চল ভিত্তিক এসব নেতাদের কাছে তদবিরের আশায় ছুটছেন অনেকে। তবে পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে সাংগঠনিক দক্ষতা, চারিত্রিক মাধুর্যতা, শিক্ষার্থীবান্ধব আওয়ামী পরিবারের ছাত্রনেতাদেরকেই নেতৃত্বে আনার কথা জানান দলের নীতি নির্ধারকরা। এছাড়াও করোনা মহামারির সময় মানবিক কাজে যারা সংগঠনের ভাবমূর্তি উজ্বল করেছেন তাদেরকেও বিবেচনা করা হবে। এছাড়াও ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বয়স ২৭ এর মধ্যে থাকলেই কেবল নেতৃত্বে আসার সুযোগ রয়েছে। সেই হিসেবে বিভিন্ন অঞ্চলের অনেকেই ছিটকে পড়বে কেন্দ্রীয় শীর্ষ পদ থেকে। তবে বিগত কয়েকটি কমিটিতে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ বছর বাড়িয়ে অনুর্ধ ২৯ করেছেন। ২ বছর পর পর সম্মেলন করার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে সঠিক সময়ে সম্মেলন না হওয়ায় ২৯ বেশি বাড়ানোর দাবী করেন ছাত্রলীগের একাধিক নেতা। নীতি নির্ধারকরা মনে করছেন এজন্য এর বাইরে নেত্রী (আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা) বড়জোর অনূর্ধ্ব ২৯ বিবেচনা করতে পারেন। কোনোভাবেই ২৯ এর বেশি কেউ নেতা হতে পারবেন না বলেই মনে করছেন দায়িত্বশীল নেতারা।

সেক্ষেত্রে বাদ পড়তে পারেন প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সোহান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী, সহ সভাপতি মাজহারুল ইসলাম শামীম, সহ সভাপতি ইয়াজ আল রিয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাহসান আহমেদ রাসেল, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হায়দার মোহাম্মদ জিতু, সহ সভাপতি রাকিব হোসেন, সহ সভাপতি সৈয়দ আরিফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক বরিকুল ইসলাম বাঁধন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস, আইন বিষয়ক সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন শাহাদাতসহ অনেকে।

জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের নেতৃত্ব পাওয়ার প্রদান মানদণ্ড হচ্ছে মেধা, যোগ্যতা আর নেতৃত্বের গুণাবলী। পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে যাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা ভালো, রয়েছে ক্লিন ইমেজ এবং যাদের পরিবারের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই, তারাই আগামীর নেতৃত্বে আসবে। এছাড়াও যারা শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় এবং মানবিক কাজ করে আলোচনায় আসতে পেরেছেন, এমন ছাত্রনেতারাও এগিয়ে থাকবে।

একই কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি বলেন, যেকোনো প্রতিষ্ঠান বা এলাকা থেকেই ছাত্রলীগের নেতৃত্ব আসতে পারে। যে যোগ্য, মেধাবী এবং সাহসী তাকে নির্বাচিত করা হয়। যোগ্যতাই এখানে সবচেয়ে বড় মাপকাঠি।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা আরও জানান, এবার কোন প্রতিষ্ঠান বা এলাকা সেটি বিবেচনায় নেওয়া হবে না। বঙ্গবন্ধুকন্যা যোগ্য ছাত্রনেতাকেই ছাত্রলীগের শীর্ষ পদের জন্য বিবেচনায় নিয়ে আসবেন।

এবারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে শীর্ষ নেতৃত্বে আসার আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জোবায়ের আহমেদ, ইডেন কলেজের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নিশাদ সাদিয়া খান মিলি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-প্রচার সম্পাদক আল আমিন শেখ সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।

এছাড়াও বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার জামিউস সানি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সাদ্দাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটন।

ঢাকা অঞ্চলের প্রার্থীদের মধ্যে সার্জেন্ট জহরুল হক হলের সাবেক ভিপি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল্লা আব্বাছী অনন্ত, এফ রহমান হলের সাবেক জিএস ও কেন্দ্রীয় উপ-দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাহিম, শহীদুল্লাহ হল ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ও কেন্দ্রীয় উপ বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক মো. ইরফানুল হাই সৌরভ, উপ-শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক মো. নিয়ামত উল্লাহ তপন, উপ-বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক সারোয়ার হোসাইন, গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক শামীম শেখ তূর্য আলোচনায় আছেন।

ময়মনসিংহ থেকে আলোচনায় আছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সোহান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুুল ইসলাম সোহাগ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস, সহ-সম্পাদক মো.রিপন মিয়া, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপ সম্পাদক রশিদ শাহরিয়ার উদয়।

বৃহত্তর ফরিদপুর থেকে আলোচনায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শেখ সাগর আহমেদ, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক শেখ স্বাধীন মোহাম্মদ শাহেদ, কর্মসংস্থান সম্পাদক রনি মোহাম্মদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত, ঢাবির মুহসীন হল ছাত্রলীগের সভাপতি শহীদুল হক শিশির, উপ- প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মেসকাত হোসেন।

উত্তরবঙ্গ থেকে আলোচনায় আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হায়দার মোহাম্মদ জিতু, ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল আমিন সুজন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আবুল হাসনাত হিমেল, উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক হাসানুর রহমান হাসু, উপ-দপ্তর সম্পাদক খান মুহাম্মদ শিমুল, উপ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মো. আমির হামজা, শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।

বরিশাল বিভাগ থেকে আলোচনায় আছেন সুফিয়া কামাল হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি তিলোত্তমা শিকদার, সহ-সভাপতি ইয়াজ আল-রিয়াদ, সহ-সভাপতি সৈয়দ আরিফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ (ইনান), ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক ইমরান জমাদ্দার, উপ-বিজ্ঞান সম্পাদক সবুর খান কলিন্স, কর্মসংস্থান বিষয়ক উপ-সম্পাদক খাদিমুল বাশার জয়।

চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে আলোচনায় আছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ইফতেহার আহমেদ চৌধুরী সজিব, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ বিন কাদের, নাজিম উদ্দীন, শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমন, উপ-সমাজসেবা সম্পাদক তানবীর হাসান সৈকত।

খুলনা বিভাগ থেকে রয়েছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক বরিকুল ইসলাম বাধন, উপ-বিজ্ঞান সম্পাদক খন্দকার হাবিব আহসান, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ফরিদা পারভীন।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-সাহিত্য বিষয়ক নুরুল আফসার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-নাট্য বিষয়ক সম্পাদক তারেক আজিজ, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক আতিক হাসান রাব্বি ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হামজা রহমান অন্তর, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকিয়ুল ইসলাম ফুয়াদ আলোচনায় রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে আলোচনায় রয়েছেন মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মো. সোহেল মিয়া, মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাজু, সহ-সভাপতি ও মিরপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ চৌধুরী আল ইমরান, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাদশা, সহ-সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও রুপনগর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মারুফ হোসেন মিঠু, দক্ষিণখান থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তৌফিকুর রহমান নাহিদ আলোচনায় রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের বাহির থেকে আসা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে আলোচনায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাওলাদার। এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে আলোচনায় রয়েছেন পল্টন থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিএম পিয়াল হাসান, মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম হৃদয়, তালুকদার এ.বি.এম মুসা, বারেক হোসেন আপন, সাব্বির আহমেদ, রেহানুল হক রাফি, মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম মিরাজ, নিবাস মজুমদার, খন্দকার খালিদ হাসান, ইয়াসির আরাফাত, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাসেল, হাসিবুল আলম পুলক, আল হাসান শোভন, জুবায়ের হোসেন মঈন, এম এ সায়েম, প্রচার সম্পাদক রিয়াজ মোল্লা, সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মুক্তাদির সাদ, গণশিক্ষা বিষয়ক উপ-সম্পাদক আল-নোমান সরকার অনিক, ধর্ম-বিষয়ক উপ-সম্পাদক এস.এম মেহেদী হাসান, উপ-কর্ম সংস্থান বিষয়ক সম্পাদক শেখ রিয়াদ মাহমুদ, কোতয়ালী থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী রেদওয়ান তালুকদার, সূত্রাপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি সজল কুন্ডু, ওয়ারী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রাফি ও রমনা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব হাসান আলোচনায় রয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পদে আলোচনায় আছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তুর্য, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক তামজিদ হোসেন তামিম, মুহসিন হল ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল হক শিশির, শহিদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হলের সভাপতি কামাল উদ্দিন রানা, মুক্তিযোদ্ধা হলের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন শান্ত, ছাত্রদলের কাছে আতঙ্ক হিসেবে পরিচিত স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Tumblr
Telegram

বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যায়যায়কাল এর সর্বশেষ সংবাদ