
মো.শফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম: গণমাধ্যমে আলোচনায় আসার জন্য পরিকল্পিত ভাবে আন্দোলনকারীদের উস্কে দিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সত্যতা পাওয়া গিয়েছে। গত ১০ জানুয়ারি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়ালাইসিসের খরচ বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সুন্নিয়া মাদ্রাসার ছাত্র আটক মোস্তাকিমের বিরুদ্ধে।
চমেকের স্যান্ডর ডায়ালাইসিস সেন্টারের ডায়ালাইসিস ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনে হাসপাতালের মূল ফটকের সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, পুলিশের সাথে আন্দোলনকারীদের হাতাহাতিকে বিভিন্ন গনমাধ্যম ঢালাওভাবে সংবাদ প্রকাশ করে। যেখানে ঘটনাস্থলে দ্বায়িত্ব পালনকারী পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে একতরফা দোষী করা হয়। তবে, হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, ওসি নাজিম উদ্দিন ছবি নেওয়ার জন্য মোবাইল ধরলে আসামী মোস্তাকিম ওসির গায়ে সজোরে আঘাত করে এতে ওসির মোবাইলটি হাত থেকে পড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওসি পাঁচলাইশকে থাবা মেরে ভাইরাল হতে চেয়েছিলেন সুন্নিয়া মাদ্রাসার ছাত্র।
সিসিটিভি ফুটেজটিতে দেখা যায়, ওসি নাজিম উদ্দিন ছবি তুলতে গেলে অভিযুক্ত মোস্তাকিম ইচ্ছাকৃত ভাবেই তার উপর হামলা করে। এসময় অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা থামাতে এলে চারিদিকে হট্টগোল লেগে যায়৷ এক পর্যায়ে মোস্তাকিমকে পাশের ইপিক হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে, তার সহযোগীরা সেই হাসপাতালে ডুকে পুলিশের উপর হামলা করে । এতে ওসিসহ পাঁচলাইশ থানার দায়িত্বগত ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে দর্শকদের মনোযোগ পেতে কিছু গনমাধ্যম পুলিশের উপরই দায় চাপিয়ে দেয়।
এদিকে মোস্তাকিমকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে, মূলত গণমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার জন্যই তিনি পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই তার স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সাধারণ রোগী ও স্বজনদের ব্যবহার করেছেন। থানার বরাতে জানা যায়, এবিষয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য অভিযুক্ত মোস্তাকিমকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এদিকে মোস্তাকিম আটক হওয়ার পর থেকেই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডায়ালাইসিস সেন্টারের পরিবেশ। সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, ইতিমধ্যে সেবারমান বৃদ্ধি করতে বাড়তি ডায়ালাইসিস যন্ত্র স্থাপন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।











