
সাইদুল ইসলাম আবির, বিশেষ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় সরকারি রাস্তার গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
শনিবার উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের চক চৌবিলা এলাকায় অবৈধভাবে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে আঞ্চলিক সড়কের প্রায় ২ শতাধিক গাছ কেটে নেয় সলঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সহ- সভাপতি ও ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস জামান মুকুল ও তার চাচা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হোসেন আলী হাজী।
সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, সলঙ্গা চৌবিলার আঞ্চলিক সড়কের চক চৌবিলা কমনিউটি ক্লিনিকের সামনে থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার সড়কের প্রায় ২ শতাধিক ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে নেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতা চাচা ভাতিজা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী অনেকেই জানান, শুক্রবার ও শনিবার সরকারি অফিস বন্ধ থাকায় এক সময়ের আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হোসেন আলী ও তার ভাতিজা ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস জামান মুকুল দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ঐ রাস্তার গাছ গুলো কেটে বিক্রি করেন। চাচার প্রভাব না থাকলেও ভাতিজা প্রভাব খাটিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে গাছ কাটেন। তারা প্রভাব শালী হওয়ায় ভয়ে মুখ খোলেন না অনেকেই। এভাবে সরকারি রাস্তার গাছ কেটে বিক্রি আইনত দন্ডনীয় অপরাধে আমরা প্রসাশনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা হোসেন আলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি হাসপাতালে আছি আপনারা আমার ভাতিজার সাথে যোগাযোগ করেন।
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা ফেরদৌস জামান মুকুল বলেন, এক সময় দল করতে গিয়ে কয়েকটা মামলা খেয়েছি। এখন আমাদের সময় এসেছে চার পাশে সব জমিজমা আমাদেরই তাই আমরা গাছ কেটে নিয়েছি। আমি বিএনপি করি। আমার দলের সিনিয়র নেতারাও বিষয়টি জানে। তাদের সাথে একটু কথা বলেন।
সলঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা খন্দকার লিপু বলেন, ঘটনা স্থলে আমি সরেজমিনে গিয়েছিলাম গাছগুলো অন্য জায়গায় বিক্রি করে দিয়েছে। আমাদের সার্ভেয়ার এসে মাপ দেওয়ার পর সরকারি রাস্তায় গাছগুলো থাকলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মাদ হাসনাত বলেন, আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি নায়েব সাহেবকে পাঠানো হয়েছে। সরকারি রাস্তায় গাছগুলো থাকলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।











