
খান মো. আঃ মজিদ, দিনাজপুর: দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ হাসান সরকারের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী আব্দুল মজিদ খান।
অভিযোগে বলা হয়, ২৫ জুলাই বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে ওসি উগ্র মেজাজে সাড়া দিয়ে বলেন, “ওয়ারেন্ট অফিসার এসআই শংকরের সাথে কথা বলুন।”
পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এসআই শংকরের সঙ্গে দেখা করলে তিনি জানান, ওসি অনুমতি দিলে বা সিসি কাটলে তারা আসামি গ্রেফতারে চেষ্টা করবেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল মজিদ খান জানান, তিনি ১০০ বার পুলিশের সাথে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন এবং গাড়িভাড়া বাবদ ৩০ হাজার টাকা খরচের ব্যবস্থাও করেছেন। ওসি নিজেও অতিরিক্ত খরচের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু এরপরও আসামি গ্রেফতারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং মাসের শেষের দিকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও এখন পর্যন্ত পুলিশ তেমন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন, বোচাগঞ্জ থানা পুলিশ আসামি গ্রেফতারের বিষয়ে বাদীর সঙ্গে ‘লুকোচুরি’ খেলছে। এতে সাধারণ জনগণের মনে প্রশ্ন উঠেছে—আসামিদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ গ্রহণ করেই কি এমন নিষ্ক্রিয়তা? না কি পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে রয়েছে কোনো অদৃশ্য সমঝোতা?
এই বিষয়ে সচেতন মহল এবং ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং উচ্চপর্যায়ের পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি। বোচাগঞ্জ পৌরসভা ও উপজেলার জনগণও বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।











