
মো. জাকির হোসেন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ : বন্যার পানি না নামায় জগন্নাথপুরে প্রায় ৭০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। চলতি বছর ১৮ জুন থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে অস্বাভাবিক করে তুলেছে।
প্রথম দফায় পানি কমতে না কমতেই আবার ১ জুলাই থেকে নদ-নদীন পানি বৃদ্ধি পেয়ে দ্বিতীয় বারের মত বন্যা দেখা দেয়ায় চরম বিপর্যয়ে পরে উপজেলার দেড় শতাধিক গ্রামের প্রায় লাখ মানুষ, অনেক ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট পানির নিচে। এমতাবস্থায় মানুষ বাড়ীঘর ছেড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেন এবং অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও পানি বন্দী হয়ে পড়ে ।
এই পরিস্থিতির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়ের উপজেলাবাসী আর সেই ধাক্কা এসে পড়ে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। ঈদের ছুটির পর ৩ জুলাই থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার কথা থাকলেও বন্যার কারণে তা পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি।এই উপজেলায় ১৫৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬০টি এবং অন্যান্য পর্যায়ে ৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টিতে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষা বিস্তারের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এলাকা অনেকের সাথে কথা বললে তারা বলেন, পানির কারণে আমাদের সন্তানেরা স্কুলে যেতে না পারায় তাদের লেখা-পড়ায় অনেক ক্ষতি হচ্ছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহবুবুল আলম জানান, এই অবস্থার মধ্যেও স্কুল খোলা হচ্চে এবং বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা আসছেন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আল বশিরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পানি কমতে শুরু করেছে, আশা করি কয়েক দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনেক উপজেলাতেই এই পরিস্থিতি বিদ্যমান। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই যতদ্রুত সম্ভব শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।











