
এস এম আক্কাস (সিরাজগঞ্জ) : উত্তর বঙ্গের প্রবেশদ্বার হাটিকুমরুল হাইওয়ে রোড গোলচত্বর। ব্যস্ততম এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উপর অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল ষ্ট্যান্ড। আইনের ব্যক্ত ঘটিয়ে চলছে তাদের কার্যক্রম।
শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা মহাসড়ক সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল গোলচত্বরের দক্ষিণ পাশে প্রতিনিয়ত প্রায় শতাধিক ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল লাইন দাঁড়িয়ে থাকে। প্রায় বেশিরভাগ মোটরসাইকেল চালকের নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স, নেই গাড়ির ফিটনেস, নেই মোটরসাইকেল এর বৈধ ষ্ট্যান্ড। অবৈধ মোটরসাইক দিয়ে আরোহীদের হেলমেট ব্যবস্থা ছাড়াই পৌঁছে দিচ্ছে গন্তব্য স্থলে। গতির উপর নিয়ন্ত্রণ নেই বল্লেই চলে।
এতে দুর্ঘটনা হলে মোটরসাইকেল আরোহীদের বড় ধরনের অপুরনিয় ক্ষতি বা মৃত্যুও হতে পারে। জীবনের ঝুঁকি তোয়াক্কা না করে, ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করে ও মহাসড়কের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে কিছু প্রভাবশালী দাপটে অবৈধ ষ্ট্যান্ড পরিচালনা করে আসছেন। এতে যেমন সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে সেই সাথে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের নিয়মনীতি মানছেন না তারা।
এছাড়াও থ্রী হুইলার হাইওয়েতে উঠা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিজের মনের মতো করে যাত্রী বহন করছেন তারা। তবে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার সামনে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা মোটরসাইকেল ষ্ট্যাড কীভাবে এখনও টিকিয়ে আছে এরকম প্রশ্ন হাজারো জনমনে।
এদিকে মোটরসাইকেল চালকরা রাস্তায় যত্রতত্র মোটরসাইকেল থামিয়ে যাত্রী উঠানামা করেন। অথচ এই সড়ক দিয়ে লাখ লাখ মানুষ যাতায়াত করে।অবৈধ ষ্ট্যান্ড আর গ্যারেজের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে যানযট ও ছোট-বড় দুর্ঘটনা। জনগণের গুরুত্বের পাশাপাশি অবৈধ ষ্ট্যান্ড এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।এছাড়াও মহাসড়কের নির্মাণ কাজ চলমান থাকার কারনে আরামপ্রদ ভ্রমণ অসুবিধার পাশাপাশির নষ্ট হচ্ছে হাটিকুমরুল হাইওয়ে গোলচত্বর এলাকার পরিবেশ।
স্থানীয় বাসিন্দারাসহ পথচারীরা জানান, সড়ক দখল করে প্রভালশালীরা মোটর সাইকেল ষ্ট্যান্ড বসিয়ে লাখ লাখ টাকা চাদা তুলছে। ব্যস্ততম এ সড়কের ওপর থেকে অবৈধ স্ট্যান্ডগুলো সরানোর উদ্যোগ নিচ্ছেন না কোনো কর্তৃপক্ষ। হয়তো প্রশাসন ম্যানেজ করেই অবৈধ মোটর সাইকেল ষ্ট্যান্ড পরিচালনা করছেন।
এবিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মনিরুল জানান, যে সমস্ত গাড়ি ফিটনেসবিহীন, থ্রী হুইলার,ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই,হেলমেট নেই,অবৈধভাবে গাড়ি আসছে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত মামলা করি।











