
মো. ইব্রাহিম খলিল, চন্দ্রগঞ্জ : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানায় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের আমির, মুহাম্মদ মোস্তফা মোল্লার সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খান সুমনের সঞ্চালনায় সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েব আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
প্রধান অতিথি বাংলাদেশ জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির (সাবেক সংসদ সদস্য) ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা নতুন এক বাংলাদেশ পেয়েছি। পেয়েছি নতুন করে দেশ গড়ার সুযোগ। আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। আমরা দ্রুত নির্বাচন চাই, তবে তা হতে হবে জনগণের অংশগ্রহণমূলক। জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। বর্তমান সরকারের কাছে আমাদের দাবি হচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল সংস্কার কাজ শেষ করে নির্বাচিত সরকারের কাছে যেন ক্ষমতা হস্তান্তর করে। পাশাপাশি আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি যে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার জন্য।
সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে লক্ষ্মীপুরে নিহত চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন উত্তর জয়পুরের শহীদ কাউছার হোসেন বিজয়ের পিতা ফিরোজ আলম। তিনি হত্যার সাথে জড়িতদের শাস্তি দাবি করেন।
কর্মী সম্মেলন বক্তারা বলেন, হাসিনা সরকার যে ট্রাইব্যুনালে জামায়াত নেতাদের ফাঁসি দিয়েছেন সেই ট্রাইবুনালে পতিত স্বৈরাচার হাসিনাসহ সকল খুনিদের বিচার শুরু হয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকার বিভিন্ন নাটক সাজিয়ে জামায়াত ইসলামী নেতাকর্মীদের অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন করেছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে জামায়াত নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশ জামায়াতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল, আল্লাহর উপযুক্ত বিচার তাদেরকেই এই দেশ থেকে কাপুরুষের মত পালিয়ে যেতে হয়েছে।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, লক্ষ্মীপুর জেলা আমির এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, নায়েব আমির, অ্যাডভোকেট নজির আহমদ ও এ আর হাফিজ উল্যাহ, সেক্রেটারি মাওলানা ফারুক হোসাইন মু. নুরনবী, সহ-সেক্রেটারি মাওলানা নাছির উদ্দিন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট মহসিন কবির মুরাদ প্রমুখ।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আব্দুল হান্নান, সেক্রেটারি মো. মাহফুজুর রহমান, ইউনিয়ন ও থানা জামায়াতের মো. দেলোয়ার হোসেন, এনামুল হক রতন, নজরুল ইসলাম টিটু, আবুল কালাম আজাদ, মাও. ইস্রাফিল আহম্মেদসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী।











