
মোঃ পারভেজ আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দায়িত্ব পালনকালে এক ব্যক্তির কামড়ে পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মাদকসেবী বলে পরিচিত সাকিব (৩০) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন সরাইল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমান উল্লাহ ও কনস্টেবল শরিফুল ইসলাম। ঘটনার পর তাঁরা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেন।
আটক সাকিব সরাইল উপজেলার ৫ নম্বর পানিশ্বর ইউনিয়নের লায়রহাটি দেওবাড়িয়া এলাকার আনু মিয়ার ছেলে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, তিনি মাদকাসক্ত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সরাইল থানা পুলিশের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় সাকিবের কামড়ে এএসআই আমান উল্লাহ ও কনস্টেবল শরিফুল ইসলাম আহত হন। পরে তারা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন। ঘটনার পর সাকিবকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, আটক সাকিবের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তবে কী পরিস্থিতিতে এ ঘটনা ঘটেছে এবং ঘটনার সময় ওই ব্যক্তি কী অবস্থায় ছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূলে সরকার ঘোষিত জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ কাজ করছে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মাদকের বিস্তার ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য উদ্বেগজনক। মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান জোরদারের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকে সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
সরাইলে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মাদকসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ আরও জোরদার হবে, এমন প্রত্যাশা স্থানীয় সচেতন মহলের।











