শনিবার, ২৬শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইরানের ভাণ্ডারে এখনো ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: সিআইএ

যায়যায়কাল ডেস্ক: যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় ইরান এখনো প্রায় ৭৫ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণযান এবং ৭০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া মার্কিন নৌ অবরোধের মধ্যেও ইরান তিন থেকে চার মাস টিকে থাকতে পারবে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের নীতিনির্ধারকদের কাছে গত সপ্তাহে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) একটি গোপন বিশ্লেষণে এ কথা বলা হয়েছে।

সিআইএর এই নথির বিষয়ে জানাশোনা থাকা চার ব্যক্তি এ তথ্য জানিয়েছেন। এই মূল্যায়ন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্রুত যুদ্ধ শেষ করার আশাবাদ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ইরানবিষয়ক গোপন মূল্যায়নগুলো প্রায়ই প্রশাসনের প্রকাশ্য বিবৃতির চেয়ে বেশ সংযত হয়ে থাকে। এসব প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কয়েক সপ্তাহের তীব্র হামলার পরও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অক্ষুণ্ন রয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিন ব্যক্তি এমনটা জানিয়েছেন।

একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বিভিন্ন প্রমাণ বলছে, ইরান ভূগর্ভস্থ প্রায় সব সংরক্ষণাগার পুনরুদ্ধার ও আবার চালু করতে পেরেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কিছু ক্ষেপণাস্ত্র মেরামত করা হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর সময় প্রায় প্রস্তুত থাকা কিছু নতুন ক্ষেপণাস্ত্রও তারা এখন নিজেদের অস্ত্রভান্ডারে যুক্ত করেছে।

গত বুধবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প অবশ্য আশাবাদী চিত্র তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ‘প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে’। তাদের হাতে সম্ভবত ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এটা খুব বেশি নয়।

বর্তমান তিনজন ও একজন সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা গোয়েন্দা বিশ্লেষণের মূল বিষয়গুলো দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় তাঁরা নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান নৌ অবরোধের প্রভাবের ওপর জোর দিয়ে একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, প্রেসিডেন্টের এ অবরোধের বাস্তব প্রভাব রয়েছে। এর প্রভাব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে ইরান বাণিজ্যিকভাবে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে, আয়ের পথ বন্ধ হচ্ছে এবং অর্থনীতি কাঠামোগতভাবে ভেঙে পড়ছে।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে, নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশটির নেতারা আত্মগোপনে চলে গেছেন।

এ বিষয়ে সরাসরি কথা বলার অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর কাছে এখন নিজের জনগণের দুর্ভোগ বাড়ানো ছাড়া আর কিছু বাকি নেই। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে গিয়ে তারা নিজেদের জনগণকে কষ্টে রাখছে, যে যুদ্ধে ইতিমধ্যে তারা হেরে গেছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও অন্যান্য মার্কিন কর্মকর্তা যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক বিজয় হিসেবে অব্যাহতভাবে তুলে ধরছেন। যদিও ওয়াশিংটনের দাবি মেনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ ও ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া ও অন্যান্য পদক্ষেপ নিতে এখন পর্যন্ত অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে ইরান।

বুধবার ট্রাম্প নৌ অবরোধকে ‘অবিশ্বাস্য’ বলে উল্লেখ করে বলেন, নৌবাহিনী অসাধারণ কাজ করেছে। এটি ইস্পাতের দেয়ালের মতো, যা ভেঙে কেউ চলাচল করতে পারছে না।

আগের দিন ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের অর্থনীতি ‘ধসে পড়ছে’, তাদের মুদ্রা ‘মূল্যহীন’ হয়ে গেছে এবং তারা সেনাদের বেতন পর্যন্ত দিতে পারছে না।

সামরিক অভিযান ‘ইকোনমিক ফিউরি’র কথা উল্লেখ করে এপ্রিলের শেষ দিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ইরানের প্রধান তেল টার্মিনাল শিগগির পূর্ণ ধারণক্ষমতায় পৌঁছাবে। এতে ইরানের তেল অবকাঠামোর স্থায়ী ক্ষতি হবে।

‘দৃঢ়তা দেখাচ্ছে তেহরান’

যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইরানে নিজেদের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অনেক শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত ও বিপুল সামরিক সরঞ্জাম হারায়। তারপরও ইরান পাল্লা দিয়ে পাল্টা চালানোর সক্ষমতা দেখায়।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের সঙ্গে কথা বলা একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ইরানের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করার সক্ষমতা সিআইএর অনুমানের চেয়েও বেশি হতে পারে।

এই কর্মকর্তা বলেন, ইরানের নেতৃত্ব আরও কঠোর, দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। তাঁদের বিশ্বাস, তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষার চেয়ে বেশি সময় টিকে থাকতে পারবে এবং দেশের ভেতরে যেকোনো প্রতিরোধ দমনে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হবে।… দেখা যায়, এই ধরনের শাসনব্যবস্থা দীর্ঘ অবরোধ ও শুধু বিমান হামলার মুখেও অনেক বছর টিকে থাকতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে হামলা শুরু করে। ৪০ দিন পর গত ৭ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি হয়। যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল প্রায় বন্ধ করে দেয় ইরান।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক সপ্তাহ পর ট্রাম্প ইরানের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করেন। ইরানের বন্দরগুলোতে প্রবেশ ও বের হওয়া সব জাহাজের ওপর এই অবরোধ প্রয়োগ করা হয়। পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়ার পর তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।

ওই সময় ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় ইরান খুব খারাপ অবস্থায় আছে। তারা বেশ মরিয়া।’ তিনি আরও বলেন, ‘তারা আলোচনায় ফিরুক বা না ফিরুক, তাতে আমার কিছু যায় আসে না।’

হরমুজ খুলতে রোববার ট্রাম্প ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি মিশন শুরু করেন। এর লক্ষ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে প্রণালি পারাপারে সহায়তা করা, প্রয়োজনে মার্কিন নৌবাহিনীর নিরাপত্তায় হলেও। তবে মঙ্গলবার তিনি জানান, শান্তি আলোচনায় ‘বড় অগ্রগতি’ হওয়ায় অভিযানটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

বুধবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, যুদ্ধ শেষ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাব তারা পর্যালোচনা করছে। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে জবাব দেওয়া হতে পারে।

যুদ্ধের প্রভাব, দীর্ঘদিনের উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে ইরানের অর্থনীতি ব্যাপক চাপে রয়েছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এক বিবৃতিতে বলেন, অপারেশন এপিক ফিউরির সময় ইরান সামরিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছিল। এখন ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’র মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করা হচ্ছে। ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সফল নৌ অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার হারাচ্ছে।
আনা কেলি আরও বলেন, ইরানি নেতৃত্ব ভালো করেই জানে বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য টেকসই নয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতেই সব সুবিধা (কার্ড) রয়েছে। আর চুক্তিতে পৌঁছাতে আলোচকেরা কাজ করে যাচ্ছেন।

তবে সিআইএর মূল্যায়ন বলছে, গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটে পড়ার আগে ইরান ৯০ থেকে ১২০ দিন— এমনকি তারও বেশি সময়—মার্কিন অবরোধে টিকে থাকতে পারবে। এ মূল্যায়ন সম্পর্কে জানাশোনা থাকা চার ব্যক্তি এমনটি জানিয়েছেন।

ইরানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এই চারজনের একজন বলেন, অবরোধের কারণে যেসব ট্যাংকার জাহাজ বর্তমানে খালি পড়ে থাকার কথা ছিল, সেগুলোর কয়েকটিতে নিজেদের তেল মজুত করে রাখছে তেহরান। এ ছাড়া তেলকূপগুলো যেন সচল থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে নিজেদের তেলক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদনের প্রবাহ কমিয়ে দিয়েছে দেশটি। তিনি বলেন, কেউ কেউ যেমনটি দাবি করছেন, পরিস্থিতি মোটেও তেমন ভয়াবহ পর্যায়ে নেই।

যদি স্থলপথে তেল পাচার করা সম্ভব হয়, তাহলে সিআইএর বিশ্লেষণে ইরানের অর্থনৈতিক সক্ষমতাকে হয়তো খাটো করে দেখা হয়েছে। জাহাজ ও উন্মুক্ত সমুদ্রপথের সমান পরিবহন সম্ভব না হলেও ট্রাক বহর ও রেলপথ কিছু অর্থনৈতিক স্বস্তি দিতে পারে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, মধ্য এশিয়া হয়ে রেলপথে কিছু তেল পরিবহন শুরু করা যেতে পারে—এমন ধারণাও রয়েছে।

ইরানের অস্ত্র সক্ষমতার বিষয়ে গোপন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যানের মজুত এখনো শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের কাছে আনুমানিক ২ হাজার ৫০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং আরও হাজার হাজার ড্রোন ছিল বলে ধারণা করা হয়। এসব অস্ত্র ব্যবহার করে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদেশগুলো এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের এক ভিজ্যুয়াল তদন্তে দেখা গেছে, ইরানের বিমান হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে অন্তত ২২৮টি স্থাপনা বা সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার প্রকাশ্যে যে তথ্য দিয়েছে, তার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি।

এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন আবার শুরু করতে ইরানের যে সময় লাগবে, সেটিও এখন কমে এসেছে।

‘একটি ড্রোনই যথেষ্ট’

সরকারের ভেতরে–বাইরের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে কম খরচের ড্রোনগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই ড্রোনগুলো ছোট গুদাম বা সহজে আড়াল করা যায় এমন স্থাপনাতেও তৈরি করা সম্ভব।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এসব ড্রোন মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মতো নয়, যেগুলো ইসরায়েলের মতো দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে।

তেল আবিবভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ গবেষক ড্যানি সিট্রিনোভিচ বলেন, ‘মাত্র একটি ড্রোনই যদি কোনো জাহাজে আঘাত হানে, তাহলে কোনো বিমা কোম্পানি আর তেল ট্যাংকারকে বিমা সুবিধা দেবে না।’

এপ্রিলের শুরুতে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়নে বলা হয়েছিল, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যানের অর্ধেকের বেশি এখনো অক্ষত আছে। পাশাপাশি তাদের কাছে হাজার হাজার একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও সিএনএন এমনটা জানিয়েছিল।

সিট্রিনোভিচ আগে ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থায় ইরান শাখার প্রধান ছিলেন। তিনি বলেন, নৌ অবরোধ কয়েক মাস চললেও ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মানতে বাধ্য হবে না।

তার মতে, সমস্যা হলো ইরান মনে করে তাদের আত্মসমর্পণের কোনো প্রয়োজন নেই।

সিট্রিনোভিচ আরও বলেন, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সামরিক সাফল্য সত্ত্বেও যুদ্ধের ফল কৌশলগত ব্যর্থতায় পরিণত হতে পারে।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সাবেক এই ইসরায়েলি গোয়েন্দা কর্মকর্তা লেখেন, ‘ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাত এবং পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংসের লক্ষ্য সামনে রেখে দৃশ্যত এই যুদ্ধ শুরু করা হলেও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুবিধা নিয়ে উল্টো ইরানের শাসকগোষ্ঠী আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে।’

সিট্রিনোভিচ আরও লিখেছেন, ‘ইরানের এখনো উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রয়ে গেছে, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত আছে। আর অনেকটা নিশ্চিতভাবেই তারা নিজস্ব ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম ধরে রেখেছে।’

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Tumblr
Telegram

, বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যায়যায়কাল এর সর্বশেষ সংবাদ