
যায়যায়কাল প্রতিবেদক: হত্যা ও হত্যাচেষ্টার চার মামলায় জামিন পাওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে রমনা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম জুয়েল রানা রোববার এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন।
গত ২৯ মার্চ বিকালে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকায় ‘মবের’ শিকার হন ফাহিম। পরে শাহ আলী থানা পুলিশ এসে ফাহিমকে নিয়ে যায়। এরপর তাকে জুলাই আন্দোলনের গুলশান থানার ইমরান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর তাকে মোহাম্মদপুর থানার তিনটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে এসব মামলায় জামিন পান ফাহিম।
এর মধ্যে ৯ জুন রমনা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সন্ধিগ্ধ আসামি হিসেবে ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের এসআই আমির হামজা। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন রোববার।
এদিন শুনানিকালে আর এস ফাহিমকে আদালতে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। এর বিরোধিতা করেন ফাহিমের আইনজীবী রবিউল্লাহ। শুনানি নিয়ে আদালত ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।
আর এস ফাহিমের আইনজীবী রবিউল্লাহ বলেন, “গুলশানের একটি হত্যা মামলায় ও মোহাম্মদপুরের তিনটি হত্যাচেষ্টা মামলায় আর এম ফাহিমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। চার মামলায় সম্প্রতি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান ফাহিম। এরপর তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো।”
গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি ডিবির রমনা জোনাল টিমের এসআই রেজাউল করিম মামলাটি দায়ের করেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, একটি ‘সন্ত্রাসী চক্র’ জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের অখণ্ডতা, সংহতি ও সার্বভৌমত্ব ‘বিপন্ন’ করতে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামে ফেইসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুলে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করছে। ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন এলাকায় ওই ব্যক্তিরা গোপন বৈঠকে মিলিত হন।
সেখানে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করে ডিবি পুলিশ। অনেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। আটক ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ গ্রুপে সক্রিয় থাকার তথ্য মিলেছে।











