
যায়যায়কাল প্রতিবেদক: সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও মো. আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) আজ রোববার দুটি অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রথম অভিযোগটি দায়ের করেন রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সদস্য সচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস।
অভিযোগে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানান।
আয়াস দাবি করেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যা, গুম, নির্যাতন এবং অন্যান্য অপরাধে ভূমিকা রেখেছিলেন।
এছাড়া ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের সঙ্গে সাহাবুদ্দিনের কোনো আইনি দায় রয়েছে কি না, তা তদন্তের জন্য আহ্বান জানান তিনি।
অভিযোগে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়কে সংশ্লিষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ, তদন্ত পরিচালনা ও প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
এদিকে, রোববার বিকেলে আইসিটিতে আরেকটি অভিযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি (বিএপি)।
এতে সাহাবুদ্দিন ও আবদুল হামিদের নিজ নিজ মেয়াদকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে তাদের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানানো হয়।
অভিযোগ জমা দেওয়ার পর বিএপির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাসিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, গুম, বিডিআরের পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের অভিযান, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, আয়নাঘর ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত নৃশংসতার মতো বিভিন্ন ঘটনার সময় এই দুজন রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তারা তৎকালীন সরকারকে সমর্থন ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিয়েছেন। সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হয়েও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করেননি।
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দুটি অভিযোগ জমা পড়েছে। একটি বাংলাদেশ আজাদ পার্টির, অন্যটি রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের। তবে আমি এখনো অভিযোগ দুটি পর্যালোচনা করিনি।
নোট: রাত পৌনে ১০টায় সবশেষ তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন আপডেট করা হয়েছে। প্রথমে বলা হয়েছিল, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আইসিটিতে দুটি অভিযোগ করা হয়েছে।











