
মাহমুদ আলহাছান, জলঢাকা(নীলফামারী): নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের ভিতর দিয়ে বয়ে চলা বুড়ি তিস্তা নদীর ডান ও বাম তীর বাঁধ ভেঙে প্রায় বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে এলাকাগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বর্ষা আসার আগে বুড়ি তিস্তা নদির খনন কাজ সমাপ্ত ঘোষণা করার পরে নদীর উভয় তীরের বাঁধ পুনর্নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। বাঁধ পুনর্নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই বর্ষাকাল এসে পরায় কাজ স্থগিত রেখে ঠিকাদার চলে যায়। বাঁধের দুই ধারে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ‘রেইন কোট’ তৈরি না করার ফলে এবারের প্রবল বর্ষণে দুই তীরের বাঁধ থেকে মাটি ও বালু ধসে গিয়ে পুরো বাঁধ বিধ্বস্ত হয়েেেড়েছে।
পুরো বাঁধ জুড়ে বিশাল বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে তিন ইউনিয়নের পঞ্চাশ সহস্রাধিক মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে সীমাহীন দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। যান চলাচল তো দূরের কথা বৃষ্টি হলে পায়ে হেঁটে এ রাস্তায় চলাচলের কোনো উপায় থাকছে না। ফলে ব্যবসা বাণিজ্য ও স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরের আগে অবশিষ্ট কাজ পুনরায় শুরু করা সম্ভব নয়। বর্ষা মৌসুমে কাজ করলে বৃষ্টিতে আবার বাঁধ ধসে যেতে পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারীর নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলার জন্যে যোগাযোগ করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
জনমানুষের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে যত দ্রুত সম্ভব জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ দু’টির সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার দাবি ইউনিয়ন তিনটির জনসাধারণের।











