
রহিদুর রহমান মিলন, সারিয়াকান্দি (বগুড়া): বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে কৌশলে ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য ব্যবহার করে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ঋণ বিতরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মোছা. জেসমিন বেগম ও স্থানীয়রা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতাধীন ঋণ কার্যক্রমে প্রকৃত উপকারভোগীদের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিদের ভোটার আইডি কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ব্যবহার করে ঋণ বিতরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন-অফিসিয়াল স্টাফ মৌসুমী আক্তার মিমের বিরুদ্ধে কৌশলে ভোটার আইডির তথ্য ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
ঋণ কার্যক্রমের তথ্য গোপন রাখার অভিযোগ
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ভোটার আইডির তথ্য নেওয়ার সময় তাদের কাছে ঋণ কার্যক্রমের বিস্তারিত বিষয় পরিষ্কার করা হয়নি। পরবর্তীতে ঋণের টাকা ও ঋণসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিলে বিষয়টি তাদের নজরে আসে বলে দাবি করেন তারা।
তাদের অভিযোগ, সরকারি ঋণ কার্যক্রমে তাঁদের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে তারা আগে থেকে বিস্তারিত জানতেন না।
তদন্তের দাবি স্থানীয়দের
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ঋণ কার্যক্রমে এ ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকৃত উপকারভোগীরা যাতে সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন তারা।
কর্মকর্তার বক্তব্য
অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা খালেদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমি মৌসুমী আক্তার মিমের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করব।’
তিনি আরও বলেন, ‘মৌসুমী আক্তার মিম টাকা মারতে পারবে না।’
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নন-অফিসিয়াল স্টাফ মৌসুমী আক্তার মিমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং ঋণ কার্যক্রমে কারও অনিয়ম বা দায়িত্বে গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।











