সোমবার, ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এর সর্বশেষ সংবাদ

স্বরলিপি পাবলিকেশনের ‘কৃতী নারী সম্মাননা’ প্রদান

যায়যায়কাল প্রতিবেদক: ‘আমার গল্প আমি বলি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুক্রবার বিকালে স্বরলিপি পাবলিকেশন এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ‘কৃতী নারী সম্মাননা-২০২৬’ অনুষ্ঠান।

স্বরলিপি পাবলিকেশনের কর্ণধার লিপি আক্তারের সভাপতিত্বে রাজধানীর সেগুনবাগিচা শিশুকল্যাণ পরিষদে জাঁকজমকভাবে আয়োজন করা হয় এ অনুষ্ঠানটি।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ভাষাবিদ ড. তারিক মনজুর, প্রধান আলোচক ছিলেন ক্যান্সার গবেষক গণস্বাস্থ্য হোমিও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. এস এম সরওয়ার। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন বাংলা একাডেমির উপপরিচালক ড. সাহেদ মন্তাজ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লতিফ বাওয়ানী জুট মিলস এর উপ মহাব্যবস্থাপক সীমা দাস, আছিয়া গফুর বিজ্ঞান ক্লাবের চেয়ারম্যান লায়ন ছিদ্দিকুর রহমান, হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আমজাদ হোসেন খান, ফুড সেফটি মুভমেন্টের মহাসচিব মো. ইউনুছ আলী, ফারজানা’স শাইনিং এর সিইও ফারজানা ইসলাম, বিশিষ্ট চিকিৎসক ফরিদা ইয়াসমিন । এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন সাংবাদিক এসটি আব্দুল্লাহ আল মামুন, কবি আবু ওবাইদ বাদল, সাংবাদিক পারভেজ বাবুল।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে স্বরলিপি পাবলিকেশনের কর্ণধার লিপি আক্তারকে প্রশংসা করে বলেন, নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলী সবার থাকে না। লিপি আক্তার নেতৃত্ব দিয়ে এই সকল কৃতী নারীকে এখানে একত্রিত করেছেন এবং তাদেরকে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

প্রধান আলোচক বলেন, লিপি আক্তার আপনাদের মতো কৃতী নারীদেরকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এনে এক স্থানে সমবেত করে আপনাদের কাজের সম্মান প্রদানে যে সম্মাননা দিচ্ছেন তা আপনাদেরকে আরো একধাপ উপরে উঠাবে। এই কাজটি তার জন্য নিঃসন্দেহে চ্যালেঞ্জের।

উদ্বোধক বলেন, স্বরলিপি পাবলিকেশনের কর্ণধার লিপি আক্তারের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক। তিনি নারীদের কাজের স্বৃকীতি ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত যে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তা ভবিষ্যতে এই নারীদেরকে আরো সফল হতে সহযোগিতা করবে।

স্বরলিপি পাবলিকেশনের কর্ণধার লিপি আক্তার জানান, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের অবদানকে স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণা দেওয়াই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। কৃতী নারী সম্মাননা অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ২৩ জন নারীকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। তিনি আরও বলেন, একজন নারীর মধ্যে চারটি গুণ থাকতে হবে: (১) নারীসুলভ গুণাবলি; (২) নারীসুলভ কথা; (৩) নারীসুলভ ভাবমূর্তি; (৪) নারীসুলভ কাজ। এই চারটি গুণাবলিকে বুকে ধারণ করে একজন নারীকে পৃথিবী জয় করার দৃঢ় সংকল্প করতে হবে। নিজের প্রতি কখনো আস্থা হারানো যাবে না।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। তারপর একে একে কৃতী নারীরা তাদের জীবনের গল্প শোনান। সংগীত পরিবেশন করেন স্বরলিপি সংগীত একাডেমির শিল্পীবৃন্দ। এরপর প্রদান করা হয় কৃতী নারীদের সম্মাননা। পরিশেষে সভাপতির বক্তব্যের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Tumblr
Telegram

বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যায়যায়কাল এর সর্বশেষ সংবাদ