
যায়যায়কাল প্রতিবেদক: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
এসব পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, যাতে শিক্ষার্থীদের আরেক বছর অপেক্ষা করতে না হয়।
শনিবার সচিবালয়ে এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ কথা জানান।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশেষ পরীক্ষা আয়োজনের উপযুক্ত সময়সূচি নির্ধারণে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় এবং আসন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, অল্প সময়ের নোটিশে পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে। তবে সাত বা ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া হলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতির পর্যাপ্ত সময় নাও পেতে পারেন।
অন্যদিকে, পরীক্ষা আয়োজন করতে বেশি দেরি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই প্রস্তাবিত বিশেষ পরীক্ষার জন্য এক মাসের বেশি সময় দেওয়া সম্ভব হবে না বলে জানান তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশেষ পরীক্ষার সময়সূচির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সূচি সমন্বয়ের চেষ্টা করা হবে।
এবারের এইচএসসি পরীক্ষার সামগ্রিক ফল সন্তোষজনক নয় বলেও স্বীকার করেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি দূর করতে সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
এ বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সম্মিলিত পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ, এক বছরে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।
এদিকে, উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে।











