
যায়যায়কাল প্রতিবেদক: সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয় ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। তবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ আয় ৩ শতাংশ বেড়েছে।
গত বছরের অক্টোবরে এ আয় ছিল ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আয়েও ধীরগতি অব্যাহত রয়েছে। টানা চতুর্থ মাসে এ আয় ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে রয়েছে।
সেপ্টেম্বরের আয় আগস্টের ২ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ কম। আগস্টে রেমিট্যান্স আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ শতাংশ বেড়েছিল। আগস্টের আয়ও জুলাইয়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি ছিল। সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স আয়ের প্রবৃদ্ধি আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) দেশে মোট ৮ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা এক বছর আগের ৭ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন কোটি ডলারের তুলনায় ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।
প্রান্তিকের হিসাব অনুযায়ী, রেমিট্যান্সের সামগ্রিক প্রবণতা দুর্বল নয়, তবে মাসভিত্তিক গতি কমেছে।
শিল্পসংশ্লিষ্টরা মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স আয় ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে থাকার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে দায়ী করছেন।
মে মাস থেকে রেমিট্যান্স আয় প্রত্যাশিত মাত্রার নিচে রয়েছে। বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত। ফলে সেখানে অস্থিরতা আয়, কর্মসংস্থান ও অর্থ পাঠানোর মাধ্যমে প্রভাব ফেলতে পারে।
রেমিট্যান্সের এই ধীরগতি উদ্বেগের বিষয়, কারণ এটি বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস।
ব্যাংকাররা বলেছেন, রপ্তানি আয় কমে যাওয়া ও আমদানি ব্যয় বেশি থাকার সময়ে আমদানি বিল ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধসহ বৈদেশিক লেনদেনে রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিতে পারে।
ব্যাংকার ও এক্সচেঞ্জ হাউস কর্মকর্তারা বলছেন, রেমিট্যান্স আয়ের পুনরুদ্ধারের গতি মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা এবং অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের পরিবর্তে কতটা অর্থ আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে আসে, তার ওপর নির্ভর করবে।











