শনিবার, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এর সর্বশেষ সংবাদ

কৃষকরাই হলেন দেশের প্রাণ : কৃষক সমাবেশে মোকতাদির চৌধুরী এমপি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: “এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে” প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষক সমাবেশ ও ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে সরিষা, সূর্যমুখী, গম, মসুর ও শীতকালীন পেঁয়াজ ফসল আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার ( ১৪ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় স্থানীয় সুর সম্রাট আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনে অনুষ্ঠিত কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইয়ামিন হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কৃষক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক সুশান্ত সাহা, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লোকমান হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা মুজিব ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূইয়া। বক্তব্য রাখেন কৃষক মো. তাজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন, আমাদের দেশের মানুষকে খাবার দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন আমাদের কৃষকরা। কৃষকরাই হলেন দেশের প্রাণ। তিনি বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারনে আমাদের দেশে প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রী কৃষির ফলন বাড়ানোর জন্য কৃষিতে প্রণোদনা দিচ্ছেন। ভর্তুকি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে আধুনিক কৃষি উপকরন দেয়া হচ্ছে। তিনি প্রতিটি বাড়ির আঙ্গিনাসহ দেশের প্রতিটি ইঞ্চি জমি আবাদ করার জন্য কৃষকদের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছেন। আমাদের কৃষকরা যদি তাদের কোন জমি অনাবাদি না রাখেন তাহলে বাংলাদেশ কখনো দারিদ্রের মুখ দেখবেনা।

আলোচনা সভা শেষে সদর উপজেলার ১৭৩০জন কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করেন প্রধান অতিথি।

এর মধ্যে ১৫০০ জন কৃষককে ১ কেজি সরিষা বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার, ১২০ জন কৃষককে ১ কেজি সূর্যমুখী বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার, ৫০ জন কৃষককে ২ কেজি ভুট্টা বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার, ৩০ জন কৃষককে ২০ কেজি গম বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার, ১০ জন কৃষককে ৫ কেজি মসুর বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার এবং ২০ জন কৃষককে ১ কেজি পেঁয়াজ বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেয়া হয়।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Tumblr
Telegram

বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *