
মো. আখতার হোসেন হিরন, সলঙ্গা: সলঙ্গায় আ’লীগ নেতাদের সঙ্গে বিএনপি নেতার বৈঠক- এমন শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশিত হয় সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সলঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি মতিয়ার রহমান মতির বিরুদ্ধে। তিনি এ ধরনের সংবাদকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
শনিবার বেলা ৩টায় থানা যুবদল কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মতিয়ার রহমান সরকার বলেন, গত ৪ সেপ্টেম্বর দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন সংস্করণে ‘সলঙ্গায় আ’লীগ নেতাদের সঙ্গে বিএনপি নেতার আঁতাতের বৈঠক, জাগো নিউজ ২৪ ডট কম অনলাইনে ‘মামলা ইস্যুতে আ’লীগ-বিএনপি নেতাদের গোপন বৈঠক’ ও ৫ সেপ্টেম্বর দৈনিক কালবেলার অনলাইন ও ফেসবুক গ্রুপে ‘আ’লীগ-বিএনপি নেতাদের গোপন বৈঠক’ শিরোনামে আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রকাশ করেছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক সংবাদ মাত্র। একটি কুচক্রি মহল সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য/ ভিডিও দিয়ে এমন কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করে শুধু আমার মানসম্মান ও ব্যক্তি জীবনের সম্মানই ক্ষুণ্ন করেননি বরং দলের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন করা হয়েছে।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্র-জনতা ও বিএনপির নেতাকর্মীদের আন্দোলনে স্বৈরাচার খুনি হাসিনার গণঅভ্যুত্থানের পতনের পর বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশ মোতাবেক সলঙ্গা থানা বিএনপি দুর্বৃত্তদের জ্বালাও, পোড়াও, ভাংচুরের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। শুধু তাই নয়, সংখ্যালঘু পরিবার হিন্দুদের মন্দির পাহারা দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে আরও বলেন, আমি বিএনপির একজন নিবেদিত নেতা হিসেবে আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনামলে রাজপথে থেকে আন্দোলন, সংগ্রাম, জেল খেটেছি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেও আমাকে জেল খাটতে হয়েছে। তাই আমার বিরুদ্ধে এমন স্পর্শকাতর, অসত্য ও বেদনাদায়ক সংবাদ প্রকাশ করায় দুঃখ প্রকাশসহ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি।
থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান সুজনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, থানা বিএনপির সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম মজনু, সোলায়মান হোসেন, শাহজাহান আলী, সোলায়মান হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাদী, আহসান হাবীব, আমিনুল ইসলাম, আবু হানিফ, রফিকুল ইসলাম, রনজু মুনসী, হারুনার রশিদ, সুলতান মাহমুদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, কাবলু মিয়াসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।











