
কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালত ওই আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
মঙ্গলবার ঢাকার কেরানীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে নিজ বাসা থেকে এ মামলার আসামি সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করে পিবিআই।
বুধবার বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মো. মুমিনুল হকের আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম গ্রেফতার হাফিজুরের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদালতে তনুর মা, বাবা ও ভাই উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ৬ এপ্রিল মো. মুমিনুল হকের আদালতে হাজির হন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ সময় তিনি মামলার অগ্রগতি জানানোর পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ নমুনা মেলানোর আবেদন করেন। আদালত এ আবেদনে সম্মতি দেন। তিনজনের একজন হাফিজুর রহমান। অপর দুজন হলেন সার্জেন্ট জাহিদ ও সৈনিক শাহীন আলম। বর্তমানে তারা সেনাবাহিনী থেকে অবসরে আছেন।
২০২৩ সালে হাফিজুর রহমান সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান। তনু হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন।
২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তনুর লাশ পাওয়া যায়। পরদিন তার বাবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।











