শুক্রবার, ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এর সর্বশেষ সংবাদ

রৌমারীর জিঞ্জিরাম নদীতে ৫ কিলোমিটার জুড়ে কুচুরিপানা, নৌ’ চলাচল বন্ধ

oplus_2
লিটন সরকার, রৌমারী (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার জিঞ্জিরাম নদীতে কচুরিপানায় ভরে যাওয়ায় নৌকা চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
চর বোয়ালমারী জিঞ্জিরাম নদীর প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই কচুরিপানার জট সৃষ্টি হয়েছে। এতে সহজে লগি ও বইঠা বাইতে পারছেন না নৌকার মাঝিরা।
বুধবার জিঞ্জিরাম নদীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উজান থেকে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের সাথে কুচুরিপানা নেমে আসে এই নদীতে। নদীর স্রোত না থাকায় আটকে যায় কুচুরিপানা এবং সেই সাথে অতিরিক্ত কচুরিপানা জন্মেছে। কোথাও কোথাও কচুরিপানার সাথে ময়লা ও আবর্জনা আটকে নৌকার স্বাভাবিক চলাচলের ব্যাহত সৃষ্টি হয়েছে। নৌকার মাঝিরা বহু কষ্টে খেয়া পারাপার করলেও বর্তামানে বন্ধ রয়েছে। মাঝিদের সঙ্গে যাত্রীরাও বইঠা বেয়ে কচুরিপানার জট ছাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। মালবাহী নৌকা মাঝে মধ্যে নদীর মাঝে আটকে যাচ্ছে। এ ছাড়া পাড়ের কাছে কচুরিপানা বেশি হওয়ায় মালবাহী নৌকা কিনারে ভিড়তে পারছে না। এতে যাত্রীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন।
স্থানীয় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল জমি থেকে বাড়িতে নিতে পারছেন না। বাড়ির সামনেই নৌকা ঘাট ও নিজস্ব নৌকা থাকা সত্বেও কুচুরিপানার কারনে পারাপার হতে পারছেন না। প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা পায়ে হেটে একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে পার হতে হচ্ছে তাদের। এতে কৃষকদের অতিরিক্ত শ্রমিক খরচ বহন করতে হচ্ছে। অপরদিকে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এর থেকে পরিত্রান চায় এলাকাবাসি। উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের চর রোয়ালমারী, বাগেরহাট, কাউয়ারচর. ডাঙ্গুয়াপাড়া এলাকায় এ সমস্যা বেশি।
যাত্রী কামাল হোসেন ও ব্যবসায়ী আজিবর রহমান জানান, নদীতে খেয়া পারাপার হতে অনেক সময় লাগে। একদিকে কনকনে শীত, অপর দিকে কচুরিপানার জন্য চলাচল বিঘ্ন হচ্ছে।কৃষক জয়েদ আলী জানান, আমাদের জমির ফসল অনেকদুর ঘুরে বাশের পুল (সাঁকো) দিয়ে আনা নেওয়া করি। আমরা এলাকাবাসি খুব কষ্ট করছি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দেখেও না দেখার ভ্যান করে। কুচুরিপানাগুলো সরিয়ে দেওয়া জরুরি। আমরা এই কষ্ট থেকে রেহাই চাই।
শৌলমারী ইউপি সদস্য জাকির হোসেন জানান, নদীতে কুচুরিপানায় ভরে গিয়ে পারাপার বন্ধ হয়ে গেছে। বন্যা মৌসুম ছাড়া এগুলো সড়ানো সম্ভব না। তবে এলাকাবাসি অনেক কষ্টে আছে। কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)’র রাকিবুল ইসলাম এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধীকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Tumblr
Telegram

বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যায়যায়কাল এর সর্বশেষ সংবাদ