
শাহ্ সোহানুর রহমান, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাকনহাট পৌরসভায় পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে অপকৌশলের অভিযোগ উঠেছে পৌর মেয়র একেএম আতাউর রহমান খানের বিরুদ্ধে।
সুকৌশলে মেধাবীদের বাদ দিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য ‘পরিকল্পিতভাবে’ এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার দিন পৌরসভার নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন চাকরি প্রত্যাশী ও তাদের স্বজনরা।
মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে তারা এমন অভিযোগ তোলেন। এ সময় তাদের পরীক্ষার প্রবেশপত্রের কপি দেখান তারা।
জানা গেছে, কাকনহাট পৌরসভায় ‘সহকারী কর আদায়কারী’ পদের নিয়োগ পরীক্ষা গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা ও নিয়োগ সংক্রান্ত অস্বচ্ছতা ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে এক চাকরি প্রত্যাশীর অভিভাবক সংবাদ সম্মেলন করেন। এরপর তারিখ পিছিয়ে দেয়া হয়। নতুন তারিখ অনুযায়ী আগামী শুক্রবার (১২ জুলাই) এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এক চাকরি প্রত্যাশীর শ্বশুর মো. ফজলুল হক বলেন, সামনে শুক্রবারে বেশিরভাগ প্রার্থীর এনটিআরসিএ শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা রয়েছে। একইদিনে পরীক্ষার কারণে অনেক মেধাবী কাকনহাট পৌরসভার নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না। এ সুযোগে পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে একজনের সঙ্গে ৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে বলে শুনেছি। আমরা স্বচ্ছভাবে নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি। সেজন্য পরীক্ষার তারিখ পেছানোর দাবি জানাই, যাতে করে সকল প্রার্থী পরীক্ষার অংশ নেয়ার সমান সুযোগ পান।
তবে নিয়ম মেনেই সব করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কাকনহাট পৌরসভার মেয়র ও কর্মচারী নিয়োগের বাছাই কমিটির চেয়ারম্যান একেএম আতাউর রহমান খান। তিনি বলেন, অন্য কোথায় কী পরীক্ষা আছে, সেটা আমরা জানি না। আমরা আগে থেকেই তো তারিখ দিয়েছি। একবার পরীক্ষা পেছানো হয়েছিল। আর পেছানোর সুযোগ নেই।











