
মিনহাজ আলী, শিবগঞ্জ (বগুড়া): বগুড়ার শিবগঞ্জে অন্যের জমি নিজের বলে বন্ধক রেখে এক গৃহিণীর টাকা আত্নসাতের অভিযোগ উঠেছে। বন্ধকের মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও টাকা ফেরত দিতে করছেন নানা টালবাহানা। এব্যাপারে ৩ জনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী রুজিনা বেগম(৩৫)। উপজেলার দেউলী বিলপাড়া গ্রামে এঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলেন, দেউলী বিলপাড়া গ্রামের মৃত লোকমান আলীর ছেলে জাহিদুল ইসলাম(৫৫), জাহিদুলের স্ত্রী ফরিদা বেগম(৪৫) ও ছেলে (গ্রাম পুলিশ সদস্য) মিঠু মিয়া(৩০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২১ আগস্ট জাহিদুল ইসলাম অন্যের জমি সন পত্তন নিয়ে মোকামতলা লস্করপুর গ্রামের রুজিনা বেগমের কাছে বন্ধক রেখে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা নেন। সেই সূত্রে জমি চাষাবাদ করে আসছেন রুজিনা। বন্ধকের মেয়াদ অতিবাহিত হলে রুজিনা বন্ধকের টাকা ফেরত চেয়ে জাহিদুলকে জমি বুঝিয়ে নিতে বলেন। কিন্তু জাহিদুল তার কথায় কোনো গুরুত্ব দেন না। এর আগে গত ৫ মাস আগে ওই জমির প্রকৃত মালিক জমিটি দখল করেন। বন্ধকের টাকা ফেরত চাইলে আজ দেবে কাল দেবে বলে বিভিন্ন টালবাহানা করে কাল ক্ষেপণ করেন জাহিদুল। এক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ প্রদানকৃত টাকা ফেরত চাইলে জাহিদুল ইসলাম রুজিনাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এসময় তাকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে তিনি মারমুখী আচরণ করেন এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে রুজিনাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত জাহিদুলের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে অভিযুক্ত মিঠু মিয়া জানান, টাকা আমি নেইনি। আমার বাবা নিয়েছে। মে মাসের ২ তারিখে তাদের টাকা ফেরত দেবো।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুজ্জামান জানান, এবিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।











