সোমবার, ১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সিলেট-মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে আরও ৬০ জনকে পুশ-ইন

সিলেট প্রতিনিধি: এক সপ্তাহের ব্যবধানে সিলেট ও মৌলভীবাজার সীমান্ত দিয়ে আরও ৬০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনী-বিএসএফ।

বুধবার সকালে মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্ত দিয়ে ৪৪ জন এবং সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ১৬ জনকে পাঠানো হয়েছে বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তারা এখন বিজিবির অধীনে রয়েছে।

বড়লেখা উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ বলেন, উত্তর শাহবাজপুর সীমান্ত দিয়ে সকালে বিএসএফ ৪৪ জনকে ঠেলে পাঠায়। এদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

তিনি বলেন, তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছেন সবাই বাংলাদেশি। তারা অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করে আসছিলেন।

আটকের পর স্থানীয়রা বিজিবিকে জানালে তারা গিয়ে হেফাজতে নেন। পরে শাহবাজপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে তাদের রাখা হয়। আটকদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ১৩ শিশু রয়েছে।

উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ইসলাম উদ্দিন বলেন, আটকদের সঙ্গে কথা বলে জানাতে পেরেছেন, তাদেরকে কয়েকদিন আগে ভারতীয় পুলিশ আটক করে। এরপর বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। আটকরা জানিয়েছেন, সীমান্তের ওপারে তাদের মত আরও অনেককে আটক করে রেখেছে বিএসএফ।

এ বিষয়ে ৫২-বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান বলেন, আটকদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা সবাই বাংলাদেশি। সন্ধ্যায় তাদের বড়লেখা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বড়লেখা থানার ওসি আব্দুল কায়ুম বলেন, এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে ৬ ও ৭ মে শতাধিক মানুষকে বিএসএফ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছিল।

এদিকে সকাল ৮টার দিকে কানাইঘাট উপজেলার আটগ্রাম সীমান্ত এলাকা দিয়ে ১৬ জনকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

জকিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন-১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জুবায়ের আনোয়ার বলেন, এর মধ্যে আটজন পুরুষ, ছয়জন নারী ও দুজন শিশু। সবাই বাংলাদেশি নাগরিক।

বিজিবির বরাতে কানাইঘাট থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল আলম বলেন, আটকরা বাগেরহাট ও কুড়িগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। এখনও আমাদের হাতে আসেনি। বিজিবির হেফাজতে রয়েছে।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Tumblr
Telegram

, বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *